সুরক্ষিত: পারী তোমাকে লেখা চিঠি-০১

এই বিষয়বস্তু পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত। এটি দেখতে আপনার পাসওয়ার্ড দিন:

এক আশাবাদী ও তার সাঁঝবাতির গান

নিঝুম এই আঁধার পথে হেঁটে যায় এক আশাবাদী
মনে তার রঙীন স্বপ্ন, হাতে তার সাঁঝবাতি
আকাশে মেঘের ছড়াছড়ি, ঢেকে গেছে শুকতারাটি
তবু চলে সে একাকী, জয় তার আদৌ হবে কী?
ক্লেদভরা এই পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারবে কি
সংশয় তাকে ছেয়ে ফেলে তবু সে হেঁটে চলে
সাঁঝবাতি তার সাথে আছে,
হারাবে না পথটা শেষে সেই ভরসা তার যে আছে
তাই সে হেঁটে চলে যায়
নিঝুম এই আঁধার পথে হেঁটে চলে যায় এক আশাবাদী
মনে তার রঙীন স্বপ্ন, হাতে তার সাঁঝবাতি
নিঝুম এই আঁধার পথে হেঁটে যায় এক আশাবাদী
মনে তার রঙীন স্বপ্ন, হাতে তার সাঁঝবাতি

উৎসর্গ আমার সাঁঝবাতিকে

তোমার জন্য একরাশ ভালোবাসাময় উপহার

সে আমাকে প্রায়ই বলে আমি নাকি তাকে ভালোবাসি না, যদি ভালোবাসতাম তাহলে তা প্রকাশও করতাম। তার মতে ভালোবাসার অনুভূতি কেবল নিজের মধ্যে রেখে দেয়ার জন্য না, যাকে ভালোবাসি তার এটা অনুভব করাতে হবে সে কতো প্রিয়। কিন্তু সব মানুষ একভাবে ভালোবাসে না, তাদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশও এক রকম নয়। এটা সত্যি সে আমার কাছে বিশেষ কিছু চায়নি, সে চায়নি তাকে দামী উপহার দেই, চায়নি তাকে নিয়ে দামী রেস্তোরায় খেতে যাই, চায়নি সিনেমা দেখতে। কেবল চেয়েছে আমার সান্নিধ্য ও একরাশ ভালোবাসা। আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তাকে সান্নিধ্য ও ভালোবাসা দেয়ার জন্য, এই প্রতিজ্ঞা ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা। জীবনের ইঁদুর দৌড়ে দৌড়াতে দৌড়াতে আমি প্রতিনিয়ত তাকে অবহেলা করে চলেছি। সে কখনও অভিমান করেছে, নিভৃতে কেঁদেছে। তাকে আমি কাঁদাতে চাই না, তবু কেমন করে যেনো তাকে কাঁদায় ফেলি। তার প্রত্যাশা অনুযায়ী আমি ভালো প্রেমিক নই, কিন্তু তবুও সে আমাকে ভালোবেসে গেছে এজন্য আমি খুবই ভাগ্যবান।

এটা সত্যি সে আমার সবচেয়ে কাছের মানুষ, সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। আর তাই আমার প্রিয় মানুষের অনেক পুরনো দুটো ইচ্ছে আজ পূরণ করছি।

অনেকদিন পর একটা লেখা লিখলাম আর তার জন্য ভালোবাসাময় একটি উপহার এখানে রাখলাম।

সাঁঝবাতির গপ্প

বৃত্তের আবর্তে

ভূমিকা
আমরা সবাই নিজের নিজের জীবন নিয়ে এতো বেশি ব্যাতিব্যাস্ত থাকি যে আমাদের আশেপাশের মানুষ, সমাজ, পৃথিবীর প্রতি যে আমাদের কিছু দায়িত্ব আছে সেগুলো বেমালুম ভুলে যাই। এবং সেভাবেই পুরো জীবন স্বার্থপরের মতো নিজেরটা বুঝে নিয়ে পার করে দেই। কেবল নিজের জীবন নিজের পরিবারের মঙ্গলে কাজ করে গেলে জীবনের স্বার্থকতা নয়, তখনই স্বার্থকতা আসবে যখন একজন ব্যক্তি নিজের জীবনে যেমন সফল একই রকম সফল আরও পাঁচ দশজন মানুষের জীবনে মঙ্গল বয়ে আনাতে। এই লেখাটা ঘটনাপ্রবাহের মাঝ দিয়ে সমাজে কিছু প্রভাব ফেলার প্রয়াশ মাত্র।
Continue reading “বৃত্তের আবর্তে”

কঠোর বাস্তবতা এবং আমার চিন্তাভাবনা

ছোটবেলায় প্রায় অনেক ছেলেরাই নানা রকম খেলা করে বা স্বপ্ন দেখে। আমার স্বপ্ন ছিলো বড় হয়ে সমাজ বদলে দিবো, তথাকথিত নিয়মে চলবো না বড় ধরনের একটা ধাক্কা লাগাতে হবে। আমরা অনেকেই বুঝে না বুঝে ফরাসি বিপ্লব বা চে গুয়েভারার ভক্ত বনে যাই স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশে এমন কোন বিপ্লব হবে আর আমরাও একটা অংশ হবো তাতে। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমরা কোন বিপ্লবে অংশগ্রহণ করি না, আমরা আমাদের চারপাশের ভুলগুলোও ঠিক করার জন্য সামান্য আঙ্গুল নাড়াতেও অনীহা প্রকাশ করি।

আমরা যদি আমাদের জাতীয় সমস্যা দেখি তাহলে মূল সমস্যা হিসেবে কি দেখবো? মূল সমস্যা অরাজকতা অনৈতিকতা, মূল্যবোধের অবক্ষয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি।

আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে, চুরিচামারী ছিনতাই খুন বেড়েই চলেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা সরকারের টনক নড়ছে না……..; সরকার যুগোপযোগী আইন প্রনয়ন করছে না, যে আইন বিদ্যমান তারও প্রয়োগ হচ্ছে না……..; ভোক্তাদের অধিকার আজ উপেক্ষিত, তাদের অভিযোগ শোনার কেউ নেই……..; দেশ অর্থনীতি মন্দার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, বাড়ছে মূল্যস্ফিতি, সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না……..; অনেক ব্যবসায়ী/ক্ষমতাশীল ব্যক্তিবর্গ বেআইনী উপায়ে অর্থোপার্জনের প্রতিযোগীতায় নেমেছে, সরকার/রাজনৈতিক দলগুলো নিজেরাই এর সাথে সম্পৃক্ত কী করে তারা এর প্রতিরোধ/প্রতিকার করবে……..; নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নতুন কোন শিল্প গড়ে উঠছে না, কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাচ্ছে, বেকার ছেলেমেয়েরা সহজ উপায়ে অর্থোপার্জনের ধান্দা করতে গিয়ে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে, সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই…….. আরও কতো কী।
Continue reading “কঠোর বাস্তবতা এবং আমার চিন্তাভাবনা”

আমার নতুন মোবাইল HTC Wildfire S

আমার নতুন মোবাইল HTC Wildfire S

কিছুদিন আগে এক দুর্ঘটনায় আমার বহু ব্যবহৃত Nokia 5233 হ্যান্ডসেটটি জলাঞ্জলি দিলাম, এরপর সুযোগ আসলো নতুন একটা সেট নেয়ার। আমার ব্যক্তিগত মতে নোকিয়া মোবাইল কোম্পানিগুলোর মাঝে সেরা হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক পণ্যের মানের দিক দিয়ে, আর যেভাবে আমি অপব্যবহার করি অন্য কোন ব্র্যান্ডের সেট ১ বছর দূরের কথা ৬ মাস টিকতো কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কিন্তু নোকিয়া ওপেনসোর্স সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেম ত্যাগ করে প্রোপাইটরী উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেমে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার সাথে সাথেই ঠিক করে ফেললাম আমার পরবর্তী ফোন আর নোকিয়া হবে না।

আমার অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিলো এ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনার তো শেষ পর্যন্ত যখন সুযোগ পেলাম সুযোগের সত ব্যবহার করতে কোন কসুর করবো এমন পাগল আমি নই। আমার বাজেট বেশি ছিলো না, ইচ্ছে ছিলো ১৫ হাজার টাকার মধ্যেই সেট কিনবো। এই বাজেটে একটাই মাত্র ফোন নজরে পড়লো সেটা হচ্ছে স্যামসং এর Galaxy Y। অনলাইনে গ্যালাক্সি ওয়াই নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে করতে চোখে পড়লো HTC Wildfire Sযার কারিগরী দিক গ্যালাক্সি ওয়াই এর তুলনায় উন্নত এবং দামও বলা হচ্ছে কাছাকাছি (যদিও জানি অনলাইনে যে দাম উল্লেখ থাকবে ডলারে এবং বাংলাদেশের বাজারে টাকায় একটু বেশি উল্লেখ থাকবে)। এইচটিসি ওয়াইল্ডফায়ার এস এর বিস্তারিত রিভিউপড়ে ভালো লাগলো ফোনটাকে, ঠিক করলাম যদি ওয়াইল্ড ফায়ার এস এর দাম হাতের নাগালে হয় তাহলে বিবেচনা করা যেতে পারে।

ফোন কেনার কোন তাড়া ছিলো না ভেবেছিলাম শুক্রবার ছুটির দিন ধীরেসুস্থে কিনবো। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিনই সুযোগ এসে গেলো সেট কেনার, আমার বোন একেবারে আমার অফিসে হাজির আমার সাথে ফিরবে বলে। তো বোনকে সাথে করে গেলাম বসুন্ধরা সিটিতে। নিচেই দেখি স্যামসং এর বড় শোরুম আর তাতে উপচে পরা ভিড়। তার মাঝে গ্যালাক্সি ওয়াই দেখলাম, বেশিরভাগ স্যামসং এর এ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসই একই রকম (এর আগে বন্ধুর গ্যালাক্সি এস এবং বোনের গ্যালাক্সি এইস ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আছে)। অন্যদিকে এইচটিসি এর কোন শোরুম খুঁজে পাচ্ছিলাম না, এমনি মোবাইলের দোকানে এইচটিসি আছে কিন্তু তারা ডিলার নয়, ওয়ারেন্টি কভারেজ ঠিকভাবে দিতে পারবে না বলেই দিচ্ছে। বেশ কয়েকটা দোকান খোঁজাখোঁজির পর নিচ তলায় Source Trading এ গেলাম। তারা জানালো যে তারা ১ বছরের ভ্যালিড ওয়ারেন্টি প্রদান করতে পারবে। সেট অন করে দেখালো (কিন্তু সিম ছাড়া), কিছুক্ষণ হাতিয়ে দেখলাম (বরাবরের মতো অন্য সব এ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো ৭টি হোমস্ক্রিন আর মেনুতে এ্যাপ্লিকেশনের সমাহার দেখলাম)। কিছুক্ষণ ভেবে দেখলাম যে সবাই গ্যালাক্সি ফোন কিনছে, এইচটিসি কিনলে একটু ভিন্নতা আসবে আর হাতের মাঝেও খারাপ লাগে না। তাই শেষ পর্যন্ত কিনেই ফেললাম। দাম পড়লো ১৮ হাজার ৫০০ টাকা (আমার মূল বাজেটের চেয়ে একটু বেশি) কিন্তু ফিচার বিবেচনা করে খারাপ লাগছে না।

বিস্তারিত ফিচার সেট:

এন্ড্রয়েড ২.৩ (জিন্জারব্রেড)

এইচটিসি সেন্স ২.১

৩.২” কর্নিং গোরিলা গ্লাস

৬০০ মেগা হার্টজ এআরএম ১১ প্রসেসর

এ্যাডরেনো ২০০ গ্রাফিক্স প্রসেসর

৫১২ মেগাবাইট রম এবং ৫১২ মেগাবাইট র্‍যাম (৪১৮ মেগাবাইট ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারবে)

৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা

২ জি এবং ৩ জি কম্পেটিবল

জিপিআরএস এ্যাজ কম্পেটিবল

মাইক্রোইউএসবি ২ এবং ব্লুটুথ ৩

এ-জিপিএস সাপোর্ট



(সামনে কোন এক সময় বিস্তারিত একটা রিভিউ লিখে ফেলবো। আপাতত আপনাদের তুষ্টির জন্য Phone Arena এর একটি ভিডিও রিভিউ দেখুন)

আমার লাটাইছেঁড়া ইচ্ছেঘুড়ি

মানুষের নানা রকম ইচ্ছে থাকে, স্বপ্ন থাকে। ছোটবেলায় মানুষের একরকম ইচ্ছে থাকে, বড় হতে হতে সেই ইচ্ছে বিভিন্ন দিকে মোড় নেয়, তা কখনও ছোট খেলনা থেকে শুরু করে স্বপ্নের গ্যাজেট বা স্বপ্নের পেশা নানা দিকে ঘুরপাক খায়।

ছোটবেলায় কোন খেলনার জন্য বায়না বা আবদার খুব বেশি করেছি এমন মনে পড়ে না। অনেকেই এখন মনে করে যে আমরা অনেক বৈভব/প্রাচুর্য্যের মধ্যে বড় হয়েছি কিন্তু সত্যি হলো যে আমরা কোনকিছুর আবদার করে সহজে পেতাম না।

Continue reading “আমার লাটাইছেঁড়া ইচ্ছেঘুড়ি”

Free Software Foundation looking for full-time senior GNU/Linux systems administrator

I’m sure hundreds of applications are already sent and hundreds more are going to be sent by end of the day.. Still if you think you are competent why not apply to work in the firm which inspired Free Software (libra) movement?

Yes Free Software Foundation (fsf) is hiring. They are looking for full-time senior GNU/Linux systems administrator.

Here is the short job description:

Example systems administration tasks include:

Be a lead voice in the Foundation’s software system decision making
Install and maintain fully free GNU/Linux systems on servers, desktops, laptops, and embedded devices
Support GNU developers and FSF staff in their use of FSF-owned systems
Monitor and improve system security and network infrastructure
Spec and purchase new equipment
Coordinate work of volunteer systems administrators
Learn about and work with cutting-edge free technologies like Coreboot
Blog publicly about the technologies and techniques used at the FSF

Programming is occasionally required, such as:

Fix bugs and submit patches upstream for the software used at the FSF
Design and write new software when existing software doesn’t fit the bill
Improve and maintain existing custom software

If you are GNU/Linux system administrator why not give it a try? You can find details at FSF official Site

By the way, if you happen to get the job don’t forget to throw a party and be sure to invite me (hey it is me for whom you got the opportunity right? Umm just kidding).

Best of luck guys

ভালোবাসা-কিছু আবোলতাবোল চিন্তা

ভালো মন্দ বলতে পারি না তবে বর্তমানে ভালোবাসার সংজ্ঞা কিছুটা বদলেছে, ভালোবাসার প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশেও এসেছে ভিন্নতা। একসময় ছিলো যখন ভালোবাসাটা পর্দার আড়ালেই ছিলো। কখনও কখনও একজন ছেলে একজন মেয়েকে ভালোবাসছে তা বুঝাই যেতো না। অথচ আজ রাস্তা ঘাটে যুগলবন্দী তরুণতরুণী দেখা অস্বাভাবিক নয়। তাদের কাউকে হাত ধরে হাটতে দেখা যায়, কেউ বা নিরালায় কাধে মাথা রেখে বসে গল্প করছে, কেউ হয়তো গালে/চুলে হাত বুলিয়ে আদর করছে। ভালোবাসা কোন অন্যায় নয় যে তা প্রকাশ করা যাবে না, সংগোপনে রাখতে হবে।
Continue reading “ভালোবাসা-কিছু আবোলতাবোল চিন্তা”

আমার চাকরী জীবন

অফিস আমার ধানমন্ডি-৮ এ, ধানমন্ডি মাঠের পাশে। প্রতিদিন সকালে বারিধারা ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে অফিস যেতে ঝামেলা পোহাতে হয়। রিক্সা নিয়ে শেওড়া যাই এরপর অপেক্ষা বাসের জন্য। শেওড়া থেকে আমি অফিসে আসার জন্য তিনটা বাস আছে লোকাল ২৭ নম্বর বাস,অনিক আর সূচনা। ২৭ নম্বর বাস শেওড়ায় থামেনা চালুর উপর রাখে, আর তাতে আগে থেকেই বাঁদুড় ঝোলা হয়ে মানুষ থাকে ওতে ওঠা আর যুদ্ধের ময়দানে সম্মুখ যুদ্ধে জেতা একই কথা, আমার মতো তালপাতার সেপাই-এর পক্ষে সম্ভব নয়। অনিক বাস তেঁজগাও-সাতরাস্তা মোড়-এফডিসি-কাওরান বাজার-পান্থপথ হয়ে কলাবাগান যায়। ওই বাসে ওঠা মানে হচ্ছে দিনের কোন সময় অফিস পৌছাবো তা সৃষ্টিকর্তার হাতে ছেড়ে দেয়া। আর সূচনা, এর সার্ভিস কিছুদিন আগেও মোটামোটি ছিলো, কিন্তু এখন ওরা বাস স্টাফবাস হিসেবে ভাড়া দিয়ে বাস সংকট সৃষ্টি করেছে, অনেকক্ষণ পরপর তাদের বাস আসে, এবং সেই বাসেও যথারীতি বাঁদড়ঝোলা হয়ে থাকে মানুষ। তবে কাকলী গিয়ে সূচনা অনেকটাই খালি হয়ে যায়। তাই অফিস যাওয়ার জন্য আমি রিক্সা নিয়ে কাকলী যাই আগে, সেখান থেকে সূচনা বাসে উঠি। দরকারে লোকাল ২৭ নম্বর বাসে উঠি, কিন্তু তাতে জামা কাপড়ের ইস্ত্রি আর কিছু বাকি থাকে না, আর প্যান্টে বেশ বড় বড় ছাপ পরে ধুলামাখা পায়ের পাড়া খেয়ে। ইদানিং যেটা হয়েছে সিএনজিতে অনেক চড়া শুরু করেছি সবসময় বাসে চড়তে ভালো লাগে না তাই সিএনজি ধরে চলে যাই, তবে সমস্যাও আছে সিএনজিতে গেলে বা আসলেই দেড়শ টাকা বের হয়ে যায় পকেট থেকে (এই অভ্যাস কমাতে হবে মাসে ৪-৫ হাজার টাকা দিয়ে যাতায়াত করা পোষাবে না)।

এইটুকু পড়ে মনে হতে পারে যে আমি কেবল চাকরি করার কতো কষ্ট তারই বয়ান করতে চাচ্ছি। আসলে তা নয়। চাকরির মধ্যে কষ্ট দুইটা এক সকালে ঘুম থেকে ঠিক সময়ে ওঠা এবং দুই অফিসে যাতায়াতের ঝক্কি। কিন্তু অফিসে পৌছে গেলে পর পুরোপুরি নতুন পরিবেশ। কাজ করতে বেশ মজাই আছে।
Continue reading “আমার চাকরী জীবন”