- বটগাছের সাথে পরিচয়
বটগাছ তুমি কেমন আছ? মনে হয় তুমি আমাকে এখানে এসে কথা বলতে দেখে বিরক্ত হচ্ছ.. হঠাৎ করে তোমার কাছে এসে জিজ্ঞাস করছি কেমন আছ!!
অনেকদিন ধরে তোমাকে এখানে মূর্তির মতো দাড়িয়ে থাকতে দেখেছি…তুমিও নিশ্চয় আমাকে তোমার নিচ দিয়ে অনেকবার যেতে দেখেছো তাই ধরে নিচ্ছি তুমি আমাকে চিনো।
আমি অনেককে তোমার সাথে কথা বলতে দেখেছি আর ভাবেছি তারা কত অবুঝ!! একটি বটগাছের সাথে কথা বলছে…কিন্তু আজ আমি বন্ধুহীন অবস্থায়। আমার কথা শুনার আর কেউ নেই তাই আমি তোমার কাছে এসেছি… তুমি শুনবে তো???
আমি জানিনা তোমার বয়স কত, কতদিন থেকে তুমি এখানে দাড়িয়ে আছ.. আমি এখানে আসার পর থেকেই তোমাকে দেখেছি… ধরে নিচ্ছি তুমি এই জায়গার মতনই প্রাচীন… অনেককে আসতে দেখেছ অনেককেই চলে যেতে দেখেছ… অনেকের অনেক মনের কথাও তোমার জানা.. কিন্তু তুমি কি কখনও আমার মত কাউকে দেখেছ যে কাঁদতে ভুলে গেছে? প্রতিদিন আমি চিৎকার করে কাঁদতে চাই কিন্তু পারিনা…আমার মন কেঁদে চলে কিন্তু শান্তি পাইনা।
- ছোটবেলা
জীবনে সবাইই একা কিন্তু আমার মতো নি:সঙ্গ কয়জন…
ছোটবেলা থেকেই আমি বড় হয়েছি সবার চোখে চোখে একমাত্র ছেলে তাও আবার সবচেয়ে ছোট ছেলে বলে। আমি একটু মুখচোরা বলে বাইরে বের হতাম কম আমার বোনদের সাথেই খেলা করে সময় কাটাতাম… মানুষের সাথে আমি তখন মিশিনি এখনও মিশতে পারিনা…
- স্কুলবেলা
একসময় স্কুলে যাওয়া শুরু করি, নতুন পরিবেশ অপরিচিত মুখ আমাকে আরও একলা করে দিল আমি কারও সাথে মিশতে পারতাম না। যখন ২য় শ্রেণীতে ১ম শ্রেনীর একটি মেয়ের সাথে বন্ধু হিসেবে খুবই ভালো সম্পর্ক হয় তার সাথেই আমি বেশি সময় কাটাতাম কিন্তু এটা নিয়ে সবাই হাসাহাসি শুরু করলে সেই মেয়েটি কথা বলা বন্ধ করে দেয় একসময় ট্রান্সফার হয়ে চলে যায়..আর আমি আবারও একা.. এরপর ৪র্থ শ্রেনীতে একটি ছেলের খালা আমাদের এলাকায় থাকতো বলে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়… এলাকায় আসলেই আমরা গল্প করতাম..কিন্তু স্কুলে শিমুলের সাথে খুবই কম কথা হতো যেহেতু ও সবার সাথে মিশত আর আমি মুখচোরা ছিলাম.. একসময় পরিচিত ছেলেরা ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে পালায় দেখে আমিও পালাই কিন্তু পরে বাবা জেনে আরও কড়াকড়ি শাসনের মধ্যে পরি.. আমি এখন আরও মানুষের সাথে মিশা কমিয়ে দিলাম…
পড়ালেখায় আমি মোটামোটি মানের ছিলাম প্রথম পনেরতে সবসময় থাকতাম, পড়া বুঝতাম কিন্তু লিখতে পছন্দ করতাম না এখনও করিনা। এরজন্য শিক্ষকরা আমাকে শাস্তি দিত আর আমি তা মেনে নিতাম অন্যরা তা দেখে হাসতো…
৬ষ্ঠ শ্রেনীতে আমাদের এক নতুন ইংরেজী শিক্ষক আসলেন, হুমায়ুন স্যার… তিনি আর সবার মতো ছিলেন না… আমাদের সবার বন্ধু ছিলেন তারচেয়ে বড় কথা আমার বন্ধু ছিলেন… কিন্তু একসময় অন্য টিচারদের সাথে মনোমালিন্য হওয়ায় চলে যান..আরও একবার বন্ধু পেয়ে বন্ধু হারালাম….
- অসুস্থতা
এরপর ৭-৮ শ্রেনীতে আমি একটা বড় ধাক্কা খেলাম… আমার ভাইরাল জ্বর হলো… নার্ভসিস্টেম আক্রান্ত হয়ে শ্রবণ শক্তি কিছুটা হারালাম…ক্লাসে আরও চুপচাপ হয়ে গেলাম…পড়ালেখায় মনযোগ হারিয়ে ফেললাম, ক্লাশ রোল হয়ে গেল ১৯৮। বাসা থেকে আরও চোখেচোখে রাখা শুরু করলো.. কোনকিছুই আমাকে একা করতে দেয়া হতো না….
৯ম শ্রেনীতে এসে শিমুলের সাথে আবার কিছুটা ঘনিষ্ট হলাম.. তার মাধ্যমে তার বন্ধুদের সাথে পরিচয় হলো… কিছু নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হলো…
- বিদেশ ভ্রমণ
৯ম শ্রেনীর অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষার আগে অবস্থার অবনতি হতে থাকায় আমাকে দেশের বাইরে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো… আমাকে পরীক্ষা করে জানানো হলো আমার অবস্থা নন-রিকভারেবল… আমি ধীরে ধীরে বধির হয়ে যাব.. কেন জানি তেমন দু:খ পেলাম না…যেন জানতাম এমনই হবে…
- মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক
মেট্রিকের টেস্ট পরীক্ষায় ফলাফল খুবই খারাপ হলো শিক্ষকরা কোনমতে পাস করান… বাবা জানালেন এরকম হলে কোনদিন নিজ থেকে কিছু করতে পারবোনা অন্যের দয়ায় বাঁচতে হবে…
এরপর মেট্রিক পাস করলাম কিন্তু তুলনামূলকভাবে তেমন ভালো ফলাফল হলোনা… কোনখানে চান্স পাচ্ছিলাম না সবারই একই রকম ফলাফল হওয়ায়। সবসময় ওয়েটিং লিস্টে নাম চলে আসত, এমনকি আমার পুরনো স্কুলেও চান্স পেলাম না, ওয়েটিং লিস্টে নাম.. বাবা এসময় হস্তক্ষেপ করলেন হেডমাস্টারের সাথে কথা বলে আমাকে পুরানো স্কুলেই ভর্তি করা হয় ওয়েটিং লিস্ট থেকে… আমার আবারও পরাজয় হলো, বুঝলাম আমার নিজের যোগ্যতা বলতে কিছুই নেই কোনদিন নিজে থেকে কিছু করতে পারবনা…মনটা ভেঙ্গে গেলো…..
কলেজে আমার পুরোন ক্লাশমেট রাজি আর জাহিদের সাথে আবারও দেখা হলো… এবং সেই সাথে মিঠু নামে একটি অসাধারন ছেলের সাথে পরিচয় হলো যে আর্থিকভাবে কিছুটা সমস্যায় থাকে কিন্তু এভাবে নি:স্বার্থভাবে অন্যের জন্য কাজ করতে আমি এখনও কাউকে দেখিনি… আমার সাথে খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠলো….আমি মূলত এই তিনজনের সাথেই চলাফেরা শুরু করি… কিন্তু ২য় বর্ষে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির জন্য তাদের একজনের অন্যজনের সাথে ঝগড়া লাগে এবং কথা বলা বন্ধ করে দেয়..আমি মাঝখানে পরে দুজনকেই বন্ধু হিসেবে হারাই।
একই সাথে মনে পরে আরেকজনের কথা, যে আমার দেখা সবচেয়ে ভালো মেয়ে। না সে আমার প্রেমিকা ছিলো না, তবে অসম্ভব ভালো বন্ধু ছিলো। অনেকদিন রাযি, মিঠু, সে ও আমি কোচিং করে একসাথে গল্প করতে করতে ফিরেছি। তাকে মাঝে মাঝে মনে পড়লেও যোগাযোগ হয়না, কোথায় জানি হারিয়ে গেছে। জানি না কি করে সেই দিনগুলো ফিরে পাবো।
এরপর ইন্টার পাস করলাম…মেট্রিকের চেয়ে ভালো করার জেদ ছিল বলে রেজাল্ট কিছুটা ভালো হলো কিন্তু তাও আশাহত হলাম ভেবেছিলাম আরও ভালো করবো।
- বিশ্ববিদ্যালয় জীবন
কিছুদিন ছুটির আমেজে থাকলাম….শিমুলের সাথে ঘোরাঘুরি করলাম… মিঠু চট্টগ্রাম চলে গেল পড়তে..
এরপর রাজি একদিন হঠাৎ ফোন করে জানালো ও বিভিন্ন ভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য বসছে… ওর সাথে বেশ কয়েক জায়গায় পরীক্ষা দিলাম কিন্তু ও চান্স পেলেও আমি পেলাম না আবারও ওয়েটিং লিস্ট… শেষপর্যন্ত এআইইউবি-তে চান্স পেলাম দুজনেই…কিন্তু আমি সিআইএস-এ আর ও বিবিএতে.. বিবিএ-তে যাবার এপ্লিক্যাশন করে বিবিএ-তে ঢুকে গেলাম… একটা বিষয়ে আনন্দ পেলাম যাক বন্ধু সাথে থাকলেও একটি কাজ আমি নিজে করতে পারলাম…
ভার্সিটিতে প্রথম কিছুদিন ভালই কাটলো… কিন্তু চাপের মাঝে আর কিছু করার সময় পাচ্ছিলাম না… আর মুখচোরা বলে সবাই মনে করতে শুরু করলো আমি সবসময় ভাব মেরে চলি তাই অনেকের সাথে পরিচয় হলেও বন্ধুত্ব হলোনা… এরপর মেজর ঠিক করার সময় আসলো… রাজি এবার চলে গেল একাউন্টিং-এ আর আমি মার্কেটিং-এ… আমাদের পথ আলাদা হয়ে গেল… মাঝে মাঝে দেখা হলেও দীর্ঘ কথা হয়না….. ও এখন খুবই ব্যাস্ত, ও দ্বিতীয় মেজর ইকনোমিক্সে নিয়েছে বলে।
- কিছু ভুল ও জীবনের মোড় পরিবর্তন
এদিকে আমি একটি বড় ভুল করি.. আমি শিমুলের একটি গোপন কথা ভুল করে অন্যকে জানিয়ে দেই যা আমাদের স্কুলের ছেলেরা জানতে পারে এটা নিয়ে খুবই জলঘোলা হয় এখন শিমুল আমাকে ঘৃণা করে আমার ছায়াও ও দেখতে চায় না…. আমি অনুতপ্ত কিন্তু ক্ষমা চাইবার কোন উপায় নেই… এটা আমাকে মনে কষ্ট দিয়ে চলেছে..
গতবছর আরও একটি ধাক্কা খাই… আমার বাবার অসুস্থতা…. বাবা কোমায় চলে যান…. আমাকে তখন অফিস দেখতে হয়.. কিন্তু এত বড় কাজের জন্য আমি প্রস্তুত নই তাই তিনমাসের মধ্যেই সব কর্মচারীরা চলে যায় কার্যত অফিস বন্ধ হয়ে যায়… বাবা কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলে আমাকে ব্যবসা থেকে সরিয়ে দেন আমি কোন কাজ ঠিক ভাবে করিনা বলে… মনটা শেষ বারের মতো ভেঙ্গে গেল।
ইদানিং আমার শরীর আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে… আমার নিজের উপর নিয়ন্ত্রন ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি…. স্মৃতিশক্তি দ্রুত লোপ পাচ্ছে… কিছুই মনে রাখতে পারছিনা… মানুষের সাথে আরও দূরত্ব বাড়ছে…….
মাঝে মাঝে মনে হয় কি হবে বেঁচে থেকে… কোন মানেই নেই এরকম ব্যর্থ জীবনের… আমি বাঁচলেও যেমন পৃথিবীর উপকার হবেনা তেমনই আমি মারা গেলে কারও মনে তেমন দু:খ আসবে না… পৃথিবী ধ্বংসের দিকে আপনার গতিতে এগিয়ে যাবে… তাই দুবার চেষ্টাও করেছি এজীবন শেষ করার… কথায় আছে দান দান তিন দান… হয়তো বা তৃতীয়বার মুক্তি মিলবে…
কিন্তু আবার মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনের অবসানই শেষ কথা??? তাই চেষ্টা করছি কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে…
বটগাছ তুমি কি বিরক্ত হচ্ছো এত কথা বলছি বলে?? তুমি তো সবই শুনলে… আমার জ্ঞান হবার পর থেকে কোন এমন বন্ধু পাইনি যে একটু বসে আমার কথা শুনবে.. আমার দু:খে কাঁদবে.. সান্তনা দিবে… তুমি কি হবে সেই বন্ধু???
আচ্ছা তবে বন্ধু আজ যাই হয়তো আরেকদিন কথা হবে…..
[এই লেখায় বটগাছ একটি কাল্পনিক চরিত্র/অঙ্গ যার কেউ নেই মনের কথা বলার জন্য সে এই বটগাছের কাছে এসে তার জীবনের কথা বলছে। লেখাটি প্রায় দেড় বছর আগের (৬ই মার্চ ২০০৮ এর) এর মাঝে কিছু পরিবর্তন হয়েছে আরও কিছু ভুল জীবনে আরও কিছু পরিবর্তন কিন্তু তবুও আশার প্রদীপ টিমি টিমি করে হলেও জ্বলছে (সেই অব্যক্ত অংশ নিয়ে পরে কোন এক সময়ে কথা হবে)]
লেখাটি প্রথম প্রকাশের পর কেউ কেউ মন্তব্য করেছিলেন তার কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:
আলোকিত লিখেছেন (06-03-2008 23:09)
আমি সাধারণত এত বড় লেখা পড়ি না, তবুও পুরাটাই পড়লাম।
চমৎকার লিখেছেন, এভাবে সবার সাথে ভাগ করে নিলেই দুঃখ অনেকটা কমে আসবেপৃথি লিখেছেন (07-03-2008 00:10)
বটগাছ আপনার বন্ধু হোক আর না হোক আমরা আপনার বন্ধু হতে পারি..:Dসুমন লিখেছেন (07-03-2008 00:22)
আপনার নিক টা কে দিয়েছে? নিশ্চই আপনি নিজে?
আমার আর কিছু বলার নেই।আশাবাদী লিখেছেন 07-03-2008 00:34
সুমন লিখেছেন:
আপনার নিক টা কে দিয়েছে? নিশ্চই আপনি নিজে?
আমার আর কিছু বলার নেই।হুমম… নিরাশার মাঝে কিছু আশা খুঁজে বেড়াই তাই আশাবাদী (আর জানিনা কেন বাংলা নাম চিন্তা করতে এটাই মাথায় প্রথম এসেছিল তাই দিয়ে দিয়েছিলাম)
আমি আসলে চরম নৈরাশ্যবাদী… (পাগল কখনও নিজেকে পাগল বলে না তেমনই আমি নিজেকে আশাবাদী বলি)সাকিব লিখেছেন 07-03-2008 00:58
আমাকে দেখলে কেউ ইমোশোনাল ছেলে বলে মনে করবে না, কিন্তু আমি যথেস্ট ইমোশোনাল,
আপনার লেখা পড়ে আমার চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে গেছে, বটগাছ না হোক আমি আপনার বন্ধু হব, আপনি কি আমাকে বন্ধু ভাবতে পারেন?স্বপ্নচারী লিখেছেন 07-03-2008 01:05
মানুষের এত দুঃখ-কষ্ট ক্যান? ভাল্লাগে না!
আশাবাদী হওয়াটাই তো মূল প্রেরণা। আশা আছে বলেই বেঁচে থাকা।আশাবাদী লিখেছেন 07-03-2008 01:14
স্বপ্নচারী লিখেছেন:
মানুষের এত দুঃখ-কষ্ট ক্যান? ভাল্লাগে না!
আশাবাদী হওয়াটাই তো মূল প্রেরণা। আশা আছে বলেই বেঁচে থাকা।ভাই আমার দু:খ আছে বলেই আমি আশা করি, আমি আশাবাদী একটি সুন্দর দিনের জন্য
মুন লিখেছেন 23-03-2008 20:42
এই পোস্টটা পড়ে কেন জানি বিশ্বাস হয় না, এটা আশাবাদীর নিজেরই জীবনের গল্প। কেন জানি!!
পড়ে মনটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ফোরামের সবাইকে মাতায় রাখা হাসি খুশি আড্ডাবাজ ছেলেটার বাস্তবে নি:সঙ্গ বন্ধুহীন জীবন, কষ্টময় – কে ভাবতে পারে?
আশাবাদী ভাই, আপনি প্রশ্ন করলেন বলে এই কথাগুলো লিখলাম… নইলে হয়ত অন্যভাবে এটার উত্তর দিতাম। নদীর ঐ পারের গল্প দিতাম।
আশাবাদীর সব পোস্ট, নিক কিংবা সিগনেচার, সবকিছুর মধ্যেই একটা প্রাণের ছোঁয়া আছে, কিন্তুকথায় আছে দান দান তিন দান…
এ কোন আশাবাদী, একে যেন চেনা হয়নি এতোদিনেও… বিশ্বাস কেমনে করি বলেন আমার মনে হয়েছিল, ফোরামের আশাবাদী, বাস্তবেও পজিটিভ। নদীর ঐ পারের গল্প একদিন সময় করে শোনাব!
ধ্রুব লিখেছেন 27-03-2008 11:16
আশাবাদী ভাই, একটা জিনিস কি জানেন ? আধার আছে বলেই আলো এত ভাল লাগে। মিথ্যা আছে বলেই সত্যের এত দাম। আপনার জীবনে দুঃখ আছে বলেই আনন্দের মুহুর্ত গুলো আপনার কাছে খুবই তাৎপর্যপূর্ন যা এক সাধারন মানুষের কাছে নয়। আমি এই কথা বলতেছি কারন আমার মনে হয় আপনার সাথে আমার জীবনের খুব একটা পার্থক্য নেই। কিন্তু তবুও আপনি যেমন আশাবাদী, আমিও তেমনি চেষ্টা করি জীবনকে পসিটিভ দিক থেকে চিন্তা করার, আপনার সেই কথাতার মতমাইক্রোকাতার লিখেছেন 31-10-2008 21:34
আজ আশাবাদীর লেখাটা সম্পূর্ন পড়লাম। দোয়া রইল, তার জীবনটা সুন্দর হউক।
Recent Comments