<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আশাবাদীর দিনপঞ্জিকা</title>
	<atom:link href="http://ashabadi.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://ashabadi.com</link>
	<description>অর্থহীন এই জগতে কিছু আশার ছটা</description>
	<lastBuildDate>Fri, 04 Nov 2011 08:14:55 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.3</generator>
		<item>
		<title>আমার লাটাইছেঁড়া ইচ্ছেঘুড়ি</title>
		<link>http://ashabadi.com/2011/11/03/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a7%9c/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2011/11/03/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a7%9c/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 03 Nov 2011 16:22:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[আবোল তাবোল]]></category>
		<category><![CDATA[ইচ্ছে ঘুড়ি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=211</guid>
		<description><![CDATA[মানুষের নানা রকম ইচ্ছে থাকে, স্বপ্ন থাকে। ছোটবেলায় মানুষের একরকম ইচ্ছে থাকে, বড় হতে হতে সেই ইচ্ছে বিভিন্ন দিকে মোড় নেয়, তা কখনও ছোট খেলনা থেকে শুরু করে স্বপ্নের গ্যাজেট বা স্বপ্নের পেশা নানা দিকে ঘুরপাক খায়। ছোটবেলায় কোন খেলনার &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2011/11/03/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a7%9c/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষের নানা রকম ইচ্ছে থাকে, স্বপ্ন থাকে। ছোটবেলায় মানুষের একরকম ইচ্ছে থাকে, বড় হতে হতে সেই ইচ্ছে বিভিন্ন দিকে মোড় নেয়, তা কখনও ছোট খেলনা থেকে শুরু করে স্বপ্নের গ্যাজেট বা স্বপ্নের পেশা নানা দিকে ঘুরপাক খায়।</p>
<p>ছোটবেলায় কোন খেলনার জন্য বায়না বা আবদার খুব বেশি করেছি এমন মনে পড়ে না।  অনেকেই এখন মনে করে যে আমরা অনেক বৈভব/প্রাচুর্য্যের মধ্যে বড় হয়েছি কিন্তু সত্যি হলো যে আমরা কোনকিছুর আবদার করে সহজে পেতাম না।</p>
<p><span id="more-211"></span></p>
<p>মনে পড়ে ছোটবেলায় আমার শখ ছিলো একটা ব্যাটারিচালিত ট্র্যাক সহ ট্রেনসেটের, জন্মদিনে উপহার হিসেবে চেয়েও ছিলাম। ট্রেনসেটের বদলে আমাকে মনোপলি কিনে দিয়েছিলো প্রথমে খুব মন খারাপ হলেও মনোপলি খেলে অনেক মজা পেয়েছি। (এখনও মনোপলি খেলা খুব মিস করি, ইশশ কারো যদি একটু সময় হতো খেলার)।</p>
<p>আমাকে একটা প্লেন কিনে দিয়েছিলো যেটার সামনের প্রপেলার ঘুড়িয়ে ছেড়ে দিলে উড়তো, কিন্তু &#8216;গুড ফর নাথিং&#8217; এই আমি প্লেনটা কোনভাবেই উড়াতে পারতাম না আমার বোনরাই চালাতো। এরপর আমার এক কাজিন এসে সেটা উড়াতে গিয়ে গাছে লাগিয়ে হত্যা করে আমার সখের খেলনাকে।</p>
<p>আমার মেঝবোনের একটা সাইকেল ছিলো সেটা আপু সাই সাই করে চালায় যেতো আর আমি হা করে দেখতাম নাহলে পিছন পিছন দৌড়াতাম। আমার চেয়ে সাইকেল বড় হওয়ায় আপুর সাইকেল তখনও চালানো হয়নি। একদিন সেই সাইকেল নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে আপু ভুড়ু কাটলো আর সাইকেল গুরুতর আহত হয়ে গুদামঘরে ঠাঁই পেলো। আমাদের কোয়ার্টারের বারান্দাতে আরেকটা সাইকেল রাখা ছিলো আব্বুর। সেই সাইকেলে আমরা উঠে রিক্সা চালানোর মতো প্যাডেল মারতাম। আমাদের প্যাডেল মারতে দেখলেই আব্বু বলতো “ভালো করে শিখে রাখো পড়াশুনা না করলে তো এই রিক্সা চালাতেই হবে তোদেরকে”। যাই হোক এমন করেই বছরের পর বছর কেঁটে যায়। এরপর আমার বারো বছরের জন্মদিনে ঘুম থেকে টেনে উঠানো হলো, রাজ্যের ঘুম নিয়ে ডাইনিং রুমে গিয়ে দেখি ছোটাপুর সাইকেলটা গুদামঘর থেকে বের করে পরিস্কার করা হয়েছে এবং ঠিকও করানো হয়েছে। আমার খুশি দেখে কে। কিন্তু যথারীতি &#8216;গুড ফর নাথিং&#8217; এই ছেলেটা সাইকেল চালাতে পারে না, কোনভাবেই সে তার ব্যালেন্স ঠিক করতে পারে না। বাইরে নিয়ে গিয়ে বোনরা কতো তাকে ঠেলে দিয়ে ছেড়ে দেয়, ছেড়ে দেয়ার দুই তিন সেকেন্ডের মধ্যেই ধপাশ। আমাকে তো কোয়ার্টারের ছেলেরা খ্যাঁপায় সাইকেল চালাতে পারিনা দেখে, আমার বোনরা কতো বুঝালো ওদের সাইকেল নাই তাই হিংসে করে তোমাকে খ্যাঁপাচ্ছে, কিন্তু বোঁকা আমি কোনভাবেই মানলাম না, আর বেরই হোলাম না সাইকেল চালানো শেখার জন্য। বাসার ভিতরই দুই পা দিয়ে ঠেলে ঠেলে কিছুদূর যেতাম আর পা দুই পাশে ছড়িয়ে দিয়ে ব্যালেন্স করতাম যাতে পরে না যাই। এভাবেই একদিন বাইরে নিয়ে চালাতে গিয়ে দেখি প্যাডেল মেরে সাইকেল চালাতে পারছি, কি মজা!! এরপর সেই সাইকেল অনেকদিন চালানো হয় পরে আরও একটি সাইকেল ছিলো। দুটোই অন্যকে বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, একদিন দুইদিন সাইকেল চালাতে ইচ্ছে করলেও খুব ক্লান্তিকর মনে হয় এখন সাইকেল চালানো যেটা অনেক আনন্দের আর এ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ দিতো।</p>
<p>তবে এমন বড় আবদারের জিনিস খুব কমই পেয়েছি। ছোটবেলায় আমাদের বাবার কাছ থেকে প্রায়ই শুনতে হয়েছে টাকা নাই, খেলনা দিয়ে খেলতে হবে না মাঠে গিয়ে দুইটা চক্কর দিয়ে আসুক, নাহলে কাপড় লাগবে না খালি গায়ে ন্যাংটা হয়ে ঘুরুক অথবা পেন্সিল কলম চাইলে শুনতে হয়েছে আঙ্গুল কেঁটে লিখুক কিনে দিতে পারবো না। এর মানে এটা না যে আমাদের বাবা মা ভালোবাসতেন না, খুব বেশিই ভালোবাসতেন। আমাদের বাস্তবতা সম্মন্ধে ধারণা দিতেই হয়তো আমাদের সব আবদার সাথে সাথে মিটাতেন না, রয়ে সয়ে সময় নিয়ে দিতেন। </p>
<p>ছোটবেলায় এমন কথা শুনে খুব রাগ হতো মনে হতো এমন বাবা মা&#8217;র সাথে থাকবো না, যখন বড় হবো যখন আমার অনেক টাকা হবে তখন আমি ইচ্ছে মতো জিনিস কিনবো আর অন্যদেরও কিনে দিবো। সেই সময় থেকে একটা শখ হয়েছিলো আমি অনেক বড় হবো হয়তো অনেক বড় ব্যবসায়ী হবো আমার অনেক টাকা থাকবে যে আমাকে কোন কাজই করতে হবে না, নিজে থেকেই টাকা আসবে আর আমি সেই টাকায় আরামে আছি। আমার একটা সুন্দর বাসা আছে, না পাঁকা বাড়ির আলিসান বাড়ি না; অনেকখানি জায়গা নিয়ে ছোট একতলা বা দোতলা বাড়ি। কখনও কল্পনা করেছি ছনের দেয়াল ছনের ছাঁদ, মাটির মেঝেতে গদি পেতে থাকা আর ঘরভর্তি গল্পের বই। বাইরে সবুজে ঘেরা বাগান, একপাশে একটা জলাশয় তার পাশে ছাউনি ঘেরা বসার জায়গা আরও কতো কি। সেসব জায়গার ছবি একে রাখতাম আর ঘন্টার পর ঘন্টা সুখস্বপ্নে মজে থাকতাম।</p>
<p>আবার অনেক সময় মনে হতো যে অনেক বড় ব্যবসায়ী হতে হলে অনেক বুদ্ধি আর টাকা থাকা লাগে, কোনটাই আমার নাই তাহলে ছোট একটা চাকরী নিবো যেটা দিয়ে আমার নিজের চলে যাবে। মনে আছে পড়াশুনা বাদ দিয়ে খাতায় শুধু হিসেব করতাম এক মাসে আমার কতো খরচ হতে পারে, একরুমের হোস্টেল রুমের চাঁদা কতো, চাল ডালের দাম কতো, গল্পের বইয়ের দাম কতো, কাপড় চোপড়ের দাম কতো এইসব করে নানা রকম হিসাব করতাম। কখনও ৫হাজার টাকা হিসাব হতো কখনও ১৫ হাজার টাকা। আর আমি শুধু ভাবতাম কবে বড় হবো।</p>
<p>তারপর আরেকটু বড় হলাম, কলেজে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় কৈশোরের এই ইচ্ছে বা সখের স্থান নিলো আরও বড় কিছু। চারপাশের অনিয়ম খুব কষ্ট দিতে শুরু করে মনে হয় মানুষ এমন করে কেনো? আমরা একটু চেষ্টা করে কি ভালো কিছু আনতে পারি না? তখন স্বপ্ন দেখা শুরু করি বড় কোন আন্দোলনে জড়িত আছি, ধীরে ধীরে হলেও মানুষ তাদের ব্যবহার বদলাচ্ছে, নিয়ম মানছে শৃঙ্খলা ফিরে আসছে। অনলাইনে যুক্ত হবার পর দেখলাম সশরীরে উপস্থিত না থেকেও কোন কাজে অবদান রাখা যায়। তখন কিছু একটা পরিবর্তনের আকাঙ্খা পেয়ে বসলো। ওপেনসোর্স লিনাক্স জগত আমার সামনে নতুন দোয়ার নিয়ে আসে। ওপেনসোর্স কমিউনিটিতে কিছুদিন কাজ করি কিছুটা হলেও আমাদের চারপাশ বদলানোর অঙ্গিকার নিয়ে। কিন্তু হায় এখানেও যে একই দলাদলি একই চরিত্রের প্রতিফলন। ত্যক্তবিরক্ত হয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেললাম।</p>
<p>এদিকে বিবিএ পড়াশুনো শেষ করে ফেললাম, সবাই শুধু জিজ্ঞাসা করে কিছু করছি নাকি, ক্যারিয়ার নিয়ে কোন চিন্তাভাবনা আছে নাকি। গড়িমসি করে এক বছর কাটানো হয়ে গেলো, এরপর অনেক চোখ রাঙানী, জীবন সঙ্গীনীর চোখের জলের ফল হিসেবে একটা ছোট চাকরী জোগাড়। চাকরী হতে না হতেই নিজের ছোটবেলার অনেক অপূর্ণ আকাঙ্খা পূরণের ইচ্ছে জাগলো। এখন প্রতি মাসে বেতন পাওয়া আর কিছু টাকা জমানোর চেষ্টা। নতুন চাকরী নতুন স্বপ্ন বুনা, সাথে যোগ হয় আরও নিত্য নতুন আকাঙ্খা। যোগ হয়েছে বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্যের শখ। একটা ল্যাপটপ কিনার শখ বহুদিনের, আর একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা বেসিক থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেলে শখের ফটোগ্রাফি করার জন্য। জীবন সঙ্গীনীকে পছন্দের আংটি দেয়া। ইচ্ছে একটা নিজের পছন্দ মতো ছোট গাড়ি কেনার। স্বপ্ননীড়কে সত্যি হিসেবে দেখতে চাই। নিজের সাজানো সংসার দেখতে চাই। আরও কতো কি। এসব সবকিছুর জন্য টাকা জমানোর চেষ্টা।</p>
<p>কিন্তু ছোটবেলায় করা পাটিগণিতের ফুটো জলাধারের সেই অঙ্কের মতো অবস্থা, একটা খাতে টাকা জমানোর চেষ্টা আর অন্য খাতগুলোতে কখন যে কিভাবে টাকা বেরিয়ে যায় আটকানোর যো নেই। গত তিন মাসের হিসাব নিকাস শেষে দেখা যাচ্ছে আমার আয়ের চেয়ে ব্যায় বেশি। এক মাসের বেতন শেষ হয়ে যাবার কিছুদিনের মধ্যে আরেক মাসের বেতন পেয়ে যাই বলে এই বিষয়টা বুঝতে পারিনি, হিসাব রাখতে শুরু করার পর এটা লক্ষ্য করলাম। কিন্তু যেসব খাতে খরচ হয় সেগুলো কমানোর উপায় দেখি না। যখন হিসাব দেখি, মনে হয় তখন হায় হায় কমাতে হবে মনে হয় কিন্তু কমানো হয় না। আমি যেমন লাগামহীন জীবন চেয়েছিলাম তাতে তো কোন হিসাবের বিষয় ছিলো না তাতে ছিলো না খরচ কমাবার তাগিদা। এখনও কিছুটা লাগামহীন রয়েছি, হয়তো সারাজীবনই থাকবো। হয়তো চাকরী বদলাবো হয়তো বেতন বাড়ানোর জন্য বলবো। আমার লাটাইছেঁড়া ইচ্ছেঘুড়ি আপন খেয়ালে উড়তে থাকবে এলোমেলোভাবে ঠিক যেমন এলোমেলো আমার এই লেখাটা। যখন শুরু করেছিলাম তখন ইচ্ছে ছিলো আমার ছোট ছোট শখ আহ্লাদের কথা বলবো, ইচ্ছের কথা বলবো। কিন্তু তা না হয়ে আবোলতাবোল কিছু বাক্যের সমাহার। কিন্তু তারপরও তা আমার মনের কথা, আপন কথা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2011/11/03/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a7%9c/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>Free Software Foundation looking for full-time senior GNU/Linux systems administrator</title>
		<link>http://ashabadi.com/2011/08/02/free-software-foundation-looking-for-senior-gnulinux-systems-administrator/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2011/08/02/free-software-foundation-looking-for-senior-gnulinux-systems-administrator/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 02 Aug 2011 04:34:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওপেনসোর্স]]></category>
		<category><![CDATA[চাকরী]]></category>
		<category><![CDATA[free software foundation]]></category>
		<category><![CDATA[fsf]]></category>
		<category><![CDATA[GNU/Linux]]></category>
		<category><![CDATA[GNU/Linux systems administrator]]></category>
		<category><![CDATA[job opportunity]]></category>
		<category><![CDATA[Linux]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=200</guid>
		<description><![CDATA[I&#8217;m sure hundreds of applications are already sent and hundreds more are going to be sent by end of the day.. Still if you think you are competent why not apply to work in the firm which inspired Free Software &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2011/08/02/free-software-foundation-looking-for-senior-gnulinux-systems-administrator/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>I&#8217;m sure hundreds of applications are already sent and hundreds more are going to be sent by end of the day.. Still if you think you are competent why not apply to work in the firm which inspired Free Software (libra) movement?</p>
<p>Yes Free Software Foundation (fsf) is hiring. They are looking for full-time senior GNU/Linux systems administrator.</p>
<p>Here is the short job description:</p>
<blockquote><p>
<b>Example systems administration tasks include:</b></p>
<blockquote><p>Be a lead voice in the Foundation&#8217;s software system decision making<br />
Install and maintain fully free GNU/Linux systems on servers, desktops, laptops, and embedded devices<br />
Support GNU developers and FSF staff in their use of FSF-owned systems<br />
Monitor and improve system security and network infrastructure<br />
Spec and purchase new equipment<br />
Coordinate work of volunteer systems administrators<br />
Learn about and work with cutting-edge free technologies like Coreboot<br />
Blog publicly about the technologies and techniques used at the FSF</p></blockquote>
<p><b>Programming is occasionally required, such as:</b></p>
<blockquote><p>Fix bugs and submit patches upstream for the software used at the FSF<br />
Design and write new software when existing software doesn&#8217;t fit the bill<br />
Improve and maintain existing custom software </p></blockquote>
</blockquote>
<p>If you are GNU/Linux system administrator why not give it a try? You can find details at <a href="http://www.fsf.org/news/fsf-seeks-full-time-senior-gnu-linux-systems-administrator" target="_blank">FSF official Site</a></p>
<p>By the way, if you happen to get the job don&#8217;t forget to throw a party and be sure to invite me (hey it is me for whom you got the opportunity right? Umm just kidding).</p>
<p>Best of luck guys</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2011/08/02/free-software-foundation-looking-for-senior-gnulinux-systems-administrator/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভালোবাসা-কিছু আবোলতাবোল চিন্তা</title>
		<link>http://ashabadi.com/2011/07/19/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2011/07/19/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 18 Jul 2011 19:25:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[আবোল তাবোল]]></category>
		<category><![CDATA[একান্ত নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[ভালোবাসা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=201</guid>
		<description><![CDATA[ভালো মন্দ বলতে পারি না তবে বর্তমানে ভালোবাসার সংজ্ঞা কিছুটা বদলেছে, ভালোবাসার প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশেও এসেছে ভিন্নতা। একসময় ছিলো যখন ভালোবাসাটা পর্দার আড়ালেই ছিলো। কখনও কখনও একজন ছেলে একজন মেয়েকে ভালোবাসছে তা বুঝাই যেতো না। অথচ আজ &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2011/07/19/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ভালো মন্দ বলতে পারি না তবে বর্তমানে ভালোবাসার সংজ্ঞা কিছুটা বদলেছে, ভালোবাসার প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশেও এসেছে ভিন্নতা। একসময় ছিলো যখন ভালোবাসাটা পর্দার আড়ালেই ছিলো। কখনও কখনও একজন ছেলে একজন মেয়েকে ভালোবাসছে তা বুঝাই যেতো না। অথচ আজ রাস্তা ঘাটে যুগলবন্দী তরুণতরুণী দেখা অস্বাভাবিক নয়। তাদের কাউকে হাত ধরে হাটতে দেখা যায়, কেউ বা নিরালায় কাধে মাথা রেখে বসে গল্প করছে, কেউ হয়তো গালে/চুলে হাত বুলিয়ে আদর করছে। ভালোবাসা কোন অন্যায় নয় যে তা প্রকাশ করা যাবে না, সংগোপনে রাখতে হবে।<br />
<span id="more-201"></span><br />
অথচ আমাদের সমাজে আজকাল ঘনিষ্ঠভাবে কোন ছেলেমেয়েকে দেখলেই “গেলো গেলো” রব ওঠে, দোষ দেয়া হয় অপসংস্কৃতির। আসলে দোষ আমাদের নিজেদের মানসিকতায়। আমরা তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বাস করেও যেনো মধ্য যুগে বাস করি। আমরা বড়ই জটিল এক সমাজে বসবাস করি। ছেলে মেয়ের বিভেদ এখানে বড্ড বেশি। একজন ছেলে আর একজন মেয়ে বড় হয় দুরকম পরিবেশে, ভিন্ন বেড়াজালের আড়ালে। ছেলে মেয়েদের শেখানো হয় তুমি ছেলে তুমি মেয়ে, ছেলে হিসেবে তুমি এই এই করতে পারো আর তুমি মেয়ে হিসেবে এটা এটা করতে পারো না, তোমাদের অবাধে মেলামেশা বৈধ নয়, মিশলে সর্বনাশ হয়। ছেলে মেয়েদের মাঝে তাই বিস্তর মানসিক দূরত্বও তৈরি হয়ে যায়। এরই মাঝে যুক্ত হয় না না অর্ধ সত্য আর বিকৃত তথ্য। ছেলে মেয়েদের মাঝে সুন্দর নিটল পবিত্র কোন সম্পর্ক হতে পারে এই ধারণা খুব কম মানুষের হয়। আমিও বড় হবার সময় কোন ছেলের সাথে কোন মেয়েকে কথা বলতে দেখলে পর্যন্ত দেখতাম আড়ালে এটা নিয়ে ঠাট্টা তামাশা টিপ্পনি দেয়া হচ্ছে। সব সম্পর্কেই ভালোবাসায় গড়ায় না আর সব ভালোবাসার সম্পর্কই শারীরিক সম্পর্কে নিহিত হয় না। আমার জানা মতেই আমি বেশ কিছু সম্পর্ক দেখেছি যা গভীর আস্থার নির্ভরতার সর্বোপরী নিটোল বন্ধুত্বের। অথচ তাদের নিয়েও কটু মন্তব্য কম ছড়ায়নি। এভাবে চলতে থাকলে মানুষের মাঝে ভালোবাসা নিয়ে যে বিরুপ মনোভাব সৃষ্টি হচ্ছে তা স্থায়ী হবে। এতে মানুষ ভালোবাসার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে, বুঝবে না ভালোবাসার মহিমা।</p>
<p>যদি কোন জুটির মধ্যে গভীর ভালোবাসার সম্পর্ক থাকে তা কোন অন্যায় নয়। ভালোবাসা নিটোল পবিত্র, মানুষের জীবন পরিপূর্ণ করে, জীবনে অর্থ এনে দেয়। হ্যাঁ ভালোবাসলে জৈবিক বা প্রাকৃতিক যে কারণেই হোক না কেনো ছেলে মেয়েরা একে অপরকে নিবিড়ভাবে চেতেই পারে কাছে যেতেই পারে। চাই সমাজ সংসার স্বীকৃতি দিক বা না দিক ভালোবাসা কখনও ভুল হতে পারে না, ভালোবেসে কাছে যাওয়াও ভুল নয় অন্যায় নয়। আর সেই সাথে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ অশালীন হবে কেনো? আমাদের সমাজে বিভিন্ন রকম মানষিকতার মানুষ বাস করে তাদের সবার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে এবং তারা তাদের সেই দৃষ্টিভঙ্গি সংরক্ষণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেমন আছে তেমনই ভালোবাসার মানুষদেরও আছে তাদের মনের অভিব্যাক্তি প্রকাশের। আমরা সবাই সমাজে থেকেও নিজ নিজ জীবন নিয়ে নিজের জগতে আলাদা থাকে। সেই জগতে তার ভালোবাসা তার প্রিয়জনের প্রতি নিবেদন করা যেতেই পারে। তাই আমাদের আরও সহনশীল হওয়া উচিত এই বিষয়ে। এই কথার সাথে সাথে চলে আসে এই বিষয় যে অনেকেই ভেবে নেন অতিরিক্ত ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ মানে ভালোবাসার পাত্রপাত্রীর সম্পর্ক অনেকদূর গড়িয়ে শারীরিক সম্পর্কে মিলেছে।</p>
<p>ভালোবাসা মানবিক আকর্ষণের মাঝে দানা বাধে এরপর তা গভীর হতে হতে ইন্দ্রিয় আকর্ষণে রূপ নেয়। শরীর বহির্ভুত আত্মীক প্রেম ভালোবাসা সম্ভব, কিন্তু শরীরের মধ্যেই মন-আত্মার বাস, শরীর বাদ দিয়ে কি ভালোবাসা পূর্ণতা পাবে? এখানে যদি নৈতিকতার দোহাই দিয়ে বলা হয় বিবাহ বহির্ভুত কোন শারীরিক সম্পর্ক প্রশ্নবিদ্ধ তবে বিবেচনা করতে হবে বিবাহ যে সুদৃঢ় সম্পর্ক গঠনে ভূমিকা রাখে তা ইতিমধ্যেই এই ভালোবাসার যুগলের মাঝে বিদ্যমান কিনা। একটি সফল সম্পর্কের জন্য যে স্তম্ভ রয়েছে (আস্থা, বিশ্বাস, নির্ভরতা, একে অন্যকে বুঝতে পারার ক্ষমতা, দায়িত্ববোধ ইত্যাদি) সেসব সবই যদি তাদের ভালোবাসার মাঝে থাকে তবে সেই ভালোবাসা পরিপূর্ণ। সত্যিকারের ভালোবাসা যে বন্ধন তৈরি করে দেয় তা আর যেকোন বন্ধনের চেয়ে হাজারগুন মজবুত, তার জন্য বিবাহ নামক সামাজিক স্বীকৃতি/ছাড়পত্রের প্রয়োজন আদৌ থাকে কি?</p>
<p>ভালোবাসার পাত্রপাত্রী কি করবে সেটা তারাই সিদ্ধান্ত নিবে, তারা যথেষ্ঠ বিচক্ষণ বলেই ভালোবাসার মতো গুরুগম্ভীর এক সম্পর্কের সূচনা করতে পেরেছে। এবং আমরা তাদের সিদ্ধান্তে পূর্ণ শ্রদ্ধা দেখিয়ে নিজেদের মতো থাকতে পারি, তাদের সম্পর্কে কটু মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।</p>
<p>আগেই বলেছি ভালোবাসা পবিত্র সম্পর্ক, ক্ষনিকের মোহ আকর্ষণ কখনই সত্যিকার ভালোবাসার সমার্থক নয়। ভালোবাসা কেবল নিছক আবেগ নয় এটা একটা সম্পর্কের নাম, যে সম্পর্কে আস্থা বিশ্বাস দায়িত্বের সাথে অঙ্গীকার আছে একসাথে থাকার, যা মঙ্গলময় তা করার, অমঙ্গল থেকে দূরে থাকার। মানুষ ভুল করতেই পারে, ভালোবাসার সম্পর্কেও পাত্রপাত্রী ভুল করতে পারে কিন্তু তাদের ভুলের দায়িত্ব নেয়ার মানসিকতা, সাহস ও সদিচ্ছা থাকতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আর যাই সিদ্ধান্ত নেয়া হোক না কেনো তার সাথে শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে। তাহলেই উপরে বলা সব কথা সত্য হবে নাহলে সবই মেকি সবই রঙীন খেলা ছাড়া কিছুই থাকবে না শেষ পর্যন্ত।</p>
<p>====<br />
এই লেখায় ভালোবাসা বলতে আমি সত্যিকারের ভালোবাসার সম্পর্ক বুঝিয়েছি, তথাকথিত প্রেম প্রেম খেলা নয়। এখানে প্রকাশিত সকল দৃষ্টিভঙ্গি একান্তই আমার নিজস্ব। এর সাথে আমার পরিবার অথবা আমার ভালোবাসার মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির কোন সম্পর্ক নেই। প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ ও মতামত প্রকাশের অধিকার সংরক্ষণ করে। আমিও করি এবং তার একটি ছোট প্রয়োগ এই লেখাটাতে।<br />
====</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2011/07/19/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আমার চাকরী জীবন</title>
		<link>http://ashabadi.com/2011/07/15/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2011/07/15/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 15 Jul 2011 12:02:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[চাকরী]]></category>
		<category><![CDATA[নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[অফিস জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্ক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=198</guid>
		<description><![CDATA[অফিস আমার ধানমন্ডি-৮ এ, ধানমন্ডি মাঠের পাশে। প্রতিদিন সকালে বারিধারা ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে অফিস যেতে ঝামেলা পোহাতে হয়। রিক্সা নিয়ে শেওড়া যাই এরপর অপেক্ষা বাসের জন্য। শেওড়া থেকে আমি অফিসে আসার জন্য তিনটা বাস আছে লোকাল ২৭ নম্বর বাস,অনিক আর &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2011/07/15/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>অফিস আমার ধানমন্ডি-৮ এ, ধানমন্ডি মাঠের পাশে। প্রতিদিন সকালে বারিধারা ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে অফিস যেতে ঝামেলা পোহাতে হয়। রিক্সা নিয়ে শেওড়া যাই এরপর অপেক্ষা বাসের জন্য। শেওড়া থেকে আমি অফিসে আসার জন্য তিনটা বাস আছে লোকাল ২৭ নম্বর বাস,অনিক আর সূচনা। ২৭ নম্বর বাস শেওড়ায় থামেনা চালুর উপর রাখে, আর তাতে আগে থেকেই বাঁদুড় ঝোলা হয়ে মানুষ থাকে ওতে ওঠা আর যুদ্ধের ময়দানে সম্মুখ যুদ্ধে জেতা একই কথা, আমার মতো তালপাতার সেপাই-এর পক্ষে সম্ভব নয়। অনিক বাস তেঁজগাও-সাতরাস্তা মোড়-এফডিসি-কাওরান বাজার-পান্থপথ হয়ে কলাবাগান যায়। ওই বাসে ওঠা মানে হচ্ছে দিনের কোন সময় অফিস পৌছাবো তা সৃষ্টিকর্তার হাতে ছেড়ে দেয়া। আর সূচনা, এর সার্ভিস কিছুদিন আগেও মোটামোটি ছিলো, কিন্তু এখন ওরা বাস স্টাফবাস হিসেবে ভাড়া দিয়ে বাস সংকট সৃষ্টি করেছে, অনেকক্ষণ পরপর তাদের বাস আসে, এবং সেই বাসেও যথারীতি বাঁদড়ঝোলা হয়ে থাকে মানুষ। তবে কাকলী গিয়ে সূচনা অনেকটাই খালি হয়ে যায়। তাই অফিস যাওয়ার জন্য আমি রিক্সা নিয়ে কাকলী যাই আগে, সেখান থেকে সূচনা বাসে উঠি। দরকারে লোকাল ২৭ নম্বর বাসে উঠি, কিন্তু তাতে জামা কাপড়ের ইস্ত্রি আর কিছু বাকি থাকে না, আর প্যান্টে বেশ বড় বড় ছাপ পরে ধুলামাখা পায়ের পাড়া খেয়ে। ইদানিং যেটা হয়েছে সিএনজিতে অনেক চড়া শুরু করেছি সবসময় বাসে চড়তে ভালো লাগে না তাই সিএনজি ধরে চলে যাই, তবে সমস্যাও আছে সিএনজিতে গেলে বা আসলেই দেড়শ টাকা বের হয়ে যায় পকেট থেকে (এই অভ্যাস কমাতে হবে মাসে ৪-৫ হাজার টাকা দিয়ে যাতায়াত করা পোষাবে না)।</p>
<p>এইটুকু পড়ে মনে হতে পারে যে আমি কেবল চাকরি করার কতো কষ্ট তারই বয়ান করতে চাচ্ছি। আসলে তা নয়। চাকরির মধ্যে কষ্ট দুইটা এক সকালে ঘুম থেকে ঠিক সময়ে ওঠা এবং দুই অফিসে যাতায়াতের ঝক্কি। কিন্তু অফিসে পৌছে গেলে পর পুরোপুরি নতুন পরিবেশ। কাজ করতে বেশ মজাই আছে।<br />
<span id="more-198"></span><br />
আমার পোস্টের গালভরা নাম থাকলেও কাজ যে আসলে কি সেটাই বোঝানো কঠিন। আমাদের ডিপার্টমেন্টের কাজ হচ্ছে যারা লোন নিয়ে ডিফল্টার হয়েছে (ইনস্টলমেন্ট দিতে পারেনি) অথবা ক্রেডিটকার্ডের বিল পে করছে না তাদের কাছ থেকে ব্যাংকের টাকা পুনরুদ্ধার করা। আমার কাজ হচ্ছে কালেক্টরদের বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত দিয়ে সহায়তা করা, কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে, কিভাবে কি অফার দিলে ক্লায়েন্ট আগ্রহী হবে এমন কয়েকটা বিষয়ে পলিসি তৈরি করা। কিন্তু সেটা অনেক পরের কাজ, এখন বর্তমানে ব্যাংক কিভাবে কাজ করছে তা শিখছি। কাজ শিখতে খারাপ লাগছে না, একেকজন একেকভাবে এ্যাপ্রোচ করে একেকজন একেকভাবে কাজ শিখায়।<br />
আমার কাজ আসলে প্রতিদিন এ্যাসাইন হয়। হঠাৎ দেখা যেতে পারে ইনচার্জ কোন রিপোর্টের এক্সট্র্যাক্ট চাইছে, সেটা পাঠাতে হবে। অথবা আমার ইনচার্জ কোন কাজ করছেন তো পাশে বসে দেখা, পরামর্শ দেয়া বা তার কাজ এগিয়ে রাখা। মাস শেষে কিছু রুটিন কাজ আমাকে করতে হয়, যেমন সেটলমেন্ট এগ্রিমেন্ট পেপার স্ট্যাটাস (ক্লোস্ড/রেগুলার/ডিফল্ট) মেলানো, ক্লোজার নোটের সাথে মিলিয়ে দেখা, রাইটঅফ পেপার তৈরি ইত্যাদি। কিন্তু এসব রুটিন কাজ দেখা যায় মাসের প্রথম ১০-১৫ দিন ব্যস্ত রাখে এরপর হাত একটু খালি হয়।</p>
<p>আমার কাজের বেশিরভাগই করতে হচ্ছে স্প্রেডশীটে, অনেক নতুন জিনিস প্রথমদিন থেকেই শিখছি। তবে ম্যাক্রোটা একটু দেখতে হবে এখন কথা হলো ম্যাক্রো কে শিখাবে?? <img src='http://ashabadi.com/wp-includes/images/smilies/icon_sad.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> </p>
<p>আরেকটা দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমাকে মাইক্রোসফটের পণ্য ব্যবহার করতে হচ্ছে অফিসে <img src='http://ashabadi.com/wp-includes/images/smilies/icon_sad.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> । এগুলোর সবগুলোই লাইসেন্সকৃত, কিন্তু তারপরও ব্যবহার করতে বিরক্ত লাগে। ইশশ কবে যে আমাদের স্বপ্ন সত্যি হবে, সব বড় বড় প্রতিষ্ঠান ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ব্যবহার করবে। আমাদের বস এসব বিষয়ে বেশ ওয়াকিবহাল এবং আগ্রহী, কিন্তু ব্যাংকের পলিসির বাইরে তো কিছু করা সম্ভব না।</p>
<p>আরেকটা বিষয় হলো অফিসে গেলে বাইরের জগতের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই। উহু ইন্টারনেট কানেকশন আছে ফোনও আছে। কিন্তু অফিসের কাজে লাগে না এমন কোন ওয়েবসাইট এক্সেস করা যাবে না (করা যায় তারপরও অফিসের মধ্যে ব্যবহার করতে ভালো লাগে না), টুইটার বন্ধ, ফেসবুক স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ (এটা আমার দরকারও নেই, কিন্তু টুইটার নাই!!!)। পেপার পড়া যায় না, অনলাইন নিউজ চ্যানেল কয়েকটা এক্সেস করা গেলেও যখন পড়ি তখন আশেপাশের মানুষ এমন বাঁকা চোখে তাকায় যে স্বস্তি লাগে না।<br />
ফোন আমি এমনিতেই কম ব্যবহার করি, আর অফিসে ফোনে কথা বলার সুযোগ কম। কারণ আমি আরেকজনের সাথে কিউবিকল শেয়ার করি, আর আমাদের ম্যানেজার/ইনচার্জ বসেন আমাদের আগের কিউবিকলে। ফোনে কথা বলতে হলে উঠে বাইরে সিড়িতে ‍যেতে হয়, সিড়িতেও কেউ না কেউ থাকে।</p>
<p>এই বাইরের জগতের অভাব খুব বেশি যে অনুভব করি তা নয়,যখন কাজ থাকে তখন কাজ করতে এতো মজা লাগে যে সময় কোথা দিয়ে কেটে যায় বুঝাই যায় না। কিন্তু আবার হুটহাট যখন অবাক করা খবর শুনি তখন এই অভাববোধটা বেড়ে যায়। যেমন ধরুন উইকিলিকস আর তার প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে নিয়ে যে নাটক চলছে তা তো আমি সে আটক হবার পরে জানতে পারলাম তার আগে নয়। এখনও সর্বশেষ আপডেট জানি না। নিশ্চয়ই টুইটার ফেসবুক ও অনলাইন টেক জগতে বেশ ঝড় উঠছে এটা নিয়ে, মিস করছি খুব। মাস্টারকার্ড ভিসার উপরে যে আক্রমণ হয়েছে তাও মিস করেছি <img src='http://ashabadi.com/wp-includes/images/smilies/icon_sad.gif' alt=':(' class='wp-smiley' />  বর্তমানে সনির উপর এ্যাটাক চলছে তাও ফলো করতে পারছি না। এই অভাব বোধটা বেড়ে যায় যখন দেখি অফিসে কোন কাজ নেই। আমি খুব মিশুকে মানুষ নই যে কাজ না থাকলে সবার সাথে মিশবো গল্প করবো। তাই করুণ মুখ করে বসে থাকতে হয়। অপ্রয়োজনে উপর নিচ করি চারতলা আর পাঁচতলায় যদি কেউ কোন কাজ দেয়। হয়তো কেউ ডেকে বললো এই এটা করতে সাহায্য করো তো, অথবা বসের সাইন নিয়ে আসো তো একটু। সেসবও খারাপ লাগে না, অন্তত বসে থাকার চেয়ে তো অনেক ভালো।</p>
<p>অফিসের সহকর্মীরাও অনেক ভালো আছে। অন্তত যারা সিনিয়র অফিসার তারা অনেক ভালো। </p>
<p>আমাদের ডিপার্টমেন্ট ইনচার্জ/ম্যানেজার অসাধারণ মানুষ, ইয়াং এ্যানার্জেটিক, কাজ ছাড়া কিছুই বুঝেন না। খুব বেশিদিন হয়নি নর্থসাউথ থেকে পাশ করেছেন, এক দেড় বছরের মাথায়ই নিজের মেধা আর শ্রম দিয়ে ডিপার্টমেন্ট ম্যানেজার হয়ে গেছেন। অনেককিছু দেখান অনেক বিষয়ে পরামর্শ দেন। কিন্তু যখন নিজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তখন তাকে কোনকিছু বলতেও ভয় লাগে।</p>
<p>আর আছেন রিকোভারি-ক্রেডিট কার্ড টিমের বস। ইনি মজার মানুষ। খুব হইহুল্লোর করে কাজ করেন আর প্রতিটা কাজে সবাইকে ইনভল্ভ করা পছন্দ করেন। উনি হাতে ধরে সব কাজ শিখান, কোন ছোট বিষয়ই বাদ দেয়া পছন্দ করেন না। তবে তার কাজের পদ্ধতির বাইরে নতুন কিছু তিনি সহজে গ্রহণ করতে  পারেন না এটা কখনও কখনও আমার কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।</p>
<p>আরেকজন আমোদপ্রিয় মানুষ হচ্ছেন রিকভারি-পারসোন্যাল লোন টিমের বস। ইনি সবসময় হাসছেন রাগ করতে দেখিনি এখনও। নিজে প্রতিদিন নতুন কিছু পরীক্ষা করতে পছন্দ করেন। ওনার হয়ে কাজ করে আরাম আছে কারণ হলো কাজ কিভাবে করবো এটার সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব আমার, ফলাফলটা সঠিক হলেই চলবে। আরও একটা বিষয় হচ্ছে আমাদের রিকভারি টিমের বিভিন্ন ম্যাগাজিন আর বুলেটিনের দায়িত্বে আছেন উনি (রিকভারী বুলেটিনে ইতিমধ্যে আমার &#8220;চাকরীটা পেয়ে গেছি পারী শুনছো&#8221; আর &#8220;শক্তির উৎস, কিছু প্রাককথন&#8221; লেখা দুইটি দিয়েছি)।</p>
<p>রিকভারী এন্ড লিগাল টিমের এ্যাসিস্টেন্ট ম্যানেজার দেখতে অনেক গম্ভীর। অনেক সিনিয়রও উনি। এই কারণে তার আশেপাশে ঘেষতে অস্বস্তি লাগে। কিন্তু সবাই বলে উনি নাকি টিমের মধ্যে সবচেয়ে আমোদপ্রিয় মানুষ খাওয়াদাওয়া ফুর্তিতে ব্যস্ত।</p>
<p>আমাদের টিমে আর আছেন কালেক্টরগন (গালভারী নাম হচ্ছে কাস্টোমার সার্ভিস এ্যাডভাইজর CSA, এ্যাসিস্ট্যান্ট কাস্টোমার এ্যাসিসটেন্স অফিসার ACAO ও কাস্টোমার এসিস্টেন্স অফিসার CAO)। এনারা নিজেদের কাজ ভালো বুঝেন, প্রতিমাসেই বিভিন্ন ধরনের রেকর্ড সেট হচ্ছে আমি জয়েন করার পর থেকেই তা দেখছি। এদের মধ্যে যেমন হৃদ্যতা আছে তেমনই আছে প্রতিযোগীতা। ওনাদের পারফর্মেন্স এ্যাপ্রেইসাল প্রতি মাসে হলেও প্রতি কোয়ার্টারে গড় পারফর্মেন্স রেটিং বের করা হয়। বেশিরভাগ ব্যক্তিই &#8220;এক্সিলেন্ট&#8221; রেটিং পেয়ে আছে। এই একটা জিনিস আমার মন খারাপ করায়, সেটা হচ্ছে আমার বুঝার উপায় নেই আমার পারফর্মেন্স কেমন, আমার কোন রেটিং নাই আমার পারফর্মেন্স ইভেলুয়েশনও কিভাবে হবে জানি না। যদি তাই হয় তাহলে কি আদৌ আমার ভবিষ্যত এখানে শানিত হবে?</p>
<p>একটা জিনিস ভালো লাগে সেটা হচ্ছে মাস শেষে যখন কিছু টাকা পড়ে আমার ব্যাংকের একাউন্টে। আর সবচেয়ে মজা পাচ্ছি কার্ড ব্যবহার করে (এখনই বাজে অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে দোকানে গিয়ে কেনা কাটা বা খাওয়া দাওয়া করে কার্ড এক্সেপ্ট করে নাকি খোঁজ নেয়ার)। নাহ আমি ক্রেডিট কার্ডের কথা বলছি না, আমার ডেবিট কার্ডই ভালো অযথা দায় তৈরির প্রয়োজন নেই, নিজের যা আছে তা নিয়েই মৌজমস্তি করা ভালো।</p>
<p>যাই হোক এগুলো তো ছোটখাটো দিক। আমার দিন কাটে বাসা-অফিস-বাসা এই আবর্তে, ছুটির দিনগুলোতেও বেশিরভাগ সময় এখন বাসার টুকটাক কাজ করতে হচ্ছে (বাসার একমাত্র ছেলে হওয়ার কিছু অসুবিধাও আছে <img src='http://ashabadi.com/wp-includes/images/smilies/icon_sad.gif' alt=':(' class='wp-smiley' />  )। তার মাঝে নিজের জন্য ভালোবাসার মানুষের জন্য বন্ধুবান্ধবের জন্য কিছু সময় বের করে নেয়ার আকুলতা। মাঝে মধ্যে যখন একা একা ভাবি তখন মনে হয় আমি আমার জন্য যে জীবন ভেবেছিলাম এখন তার থেকে কতোটা ভিন্ন জীবনই না কাটাচ্ছি। এটা কি ভালো নাকি খারাপ এখনও তা বলতে পারি না আরও কয়েক বছর কাটলে আরও অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের পর বলতে পারি কোথায় দাঁড়াতে পারতাম আর কোথায় দাঁড়িয়ে আছি। আপাতত দিন আসে দিন যায় ভিত্তিতেই জীবন চলতে থাকুক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2011/07/15/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>7</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>Need developer for Bangla mobile application</title>
		<link>http://ashabadi.com/2011/06/20/need-developer-for-bangla-mobile-application/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2011/06/20/need-developer-for-bangla-mobile-application/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 20 Jun 2011 10:06:34 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওপেনসোর্স]]></category>
		<category><![CDATA[নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[android]]></category>
		<category><![CDATA[bangla]]></category>
		<category><![CDATA[Bengali]]></category>
		<category><![CDATA[development project]]></category>
		<category><![CDATA[English Post]]></category>
		<category><![CDATA[mobile]]></category>
		<category><![CDATA[symbian]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=184</guid>
		<description><![CDATA[Recently I have focused my online activities via my nokia 5233 handset. Well its not a perfect but still it keeps me hooked up to the social network and things I&#8217;m interested in. I had no other option rather going &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2011/06/20/need-developer-for-bangla-mobile-application/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>Recently I have focused my online activities via my nokia 5233 handset. Well its not a perfect but still it keeps me hooked up to the social network and things I&#8217;m interested in. I had no other option rather going on mobile device, as many other service holder in Banlgadesh the typical time frame when I leave office is around 8pm, and 2 hour journey to home amid jam packed traffic does not help my cause much. Most of the time after I reach home at 10pm I have my dinner and too tired to sit online to  have a social life or work in all the volunteer groups I have been involved with.</p>
<p>But one thing really bothers me is that even though I can connect, collaborate get involved online via mobile device I still miss the thrill of interacting in my own mother language, Bangla. Sisshh I wish you knew how big deal it is for me. Some intimate feeling, thoughts can not be expressed in other language like we can do with our mother tongue. That led me thinking why there isn&#8217;t any proper Bangla typing mechanism for mobile devices? Mobile app industry is booming, developers is getting paid heftily for their products just like it is for general computer industry. So lets start a project, even if it needs to be a paid project for Bangla typing mechanism for mobile device. I&#8217;m sure it will help many other service holders and expatriates who live outside Bangladesh.</p>
<p>Lets summarize the project in following manner:</p>
<p><strong>Project Name:</strong></p>
<p>Bangla Mobile Typing Mechanism for Android<sup>TM</sup> &amp; Symbian<sup>TM</sup> Device</p>
<p><strong>Project Objective:</strong></p>
<p>To create and promote a Bangla typing mechanism for mobile device run on Symbian<sup>TM</sup> or Android<sup>TM</sup>.</p>
<p><strong>Project Background:</strong></p>
<p>Despite Bangla being the sixth most spoken language in the world it’s presence on technical world is appalling. In recent years the trend is changing for computer device with introduction and popularization of several typing keyboard layout (ie Probhat, Unijoy, Phonetic etc.) and typing mechanism (Avro keyboard). There are also some projects that are working on localizing popular software applications and web portals. However the case is not same for mobile devices. Only seeming change in Bangla use on mobile device has been seen by introduction of several low end Nokia devices which support Bangla menu and can send and receive Bangla text message sent with similar device. Recent versions of mobile web application ‘Opera Mini<sup>TM</sup>’ have supported display of Bangla websites with rendering complex script on server side. We would like to take it a step further with introduction and promoting Bangla typing mechanism for two large mobile operating systems out there, Symbian<sup>TM</sup> and Android<sup>TM</sup>. To encourage development of the said mechanism we are going to ensure remuneration for anyone who contributes to the project.</p>
<p><strong>Project Duration:</strong></p>
<p>Original development- Three months (with grace period of three additional months for bug fixing and documentation)</p>
<p>Subsequent development- indefinite</p>
<p><strong>Project Remuneration stages:</strong></p>
<p>Original Development- $500.00 (BDT 36,000)*</p>
<p>Subsequent Developments- $50.00 (BDT 3,600) yearly service (from 2<sup>nd</sup> year)</p>
<p>Documentation(s)- $69.44 (BDT 5,000)**</p>
<p>* Payment will be made after submission of workable typing system is released</p>
<p>**depending on quality of documentation (sole discretion of project maintainer)</p>
<p><strong>Project Terms &amp; Conditions:</strong></p>
<ul>
<li>The original development and all subsequent developments (ie. those which directly falls under this projects authority) must be released under open license (ie. project developments must be open source)</li>
</ul>
<p> </p>
<ul>
<li>The original development and all subsequent developments (ie. those which directly falls under this projects authority) must be available completely free of charge for general users.</li>
</ul>
<p> </p>
<ul>
<li>Original development remuneration will be made with Post Dated Cheques (PDC) with three months time frame.</li>
</ul>
<p> </p>
<ul>
<li>Subsequent development and documentation remuneration will be made within 15 days of release (subject to availability of funds, maximum grace period of 30 days).</li>
</ul>
<p> </p>
<p>(payment terms and conditions can be negotiated)</p>
<p>(please leave your contact details in the comment section or email me at (shahriar&lt;at&gt;linux.org.bd)</p>
<p>=====<br />
One thing needs to be cleared out. I am not submitting this project anywhere to receive any funding, its my little pet project that every now on many people undertakes. Only problem I&#8217;m not a mobile app developer hence looking to get the job done by others.</p>
<p>Even if you are not a developer and you have some insight/suggestions to improve the project don&#8217;t forget to leave comment. Please help me spread the project news via your social network. I will be personally grateful to you.</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2011/06/20/need-developer-for-bangla-mobile-application/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>7</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আশাবাদীর পুনরাগমন</title>
		<link>http://ashabadi.com/2011/05/20/%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a6%a8/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2011/05/20/%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a6%a8/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 20 May 2011 07:08:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[আশাবাদীর দিনপঞ্জিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=6</guid>
		<description><![CDATA[আশাবাদীর দিনপঞ্জিকা আগে আমার পরিচিত এক বড় ভাইয়ের হোস্টিং এ রেখেছিলাম। আমার যখন নিজের ডোমেইনে ব্লগ করার শখ হয় তখন আমাকে সেই বড় ভাই আপন মনে করে হোস্টিং দিয়েছিলেন। তার এই অবদান আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি এবং তাকে প্রাণঢালা &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2011/05/20/%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a6%a8/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আশাবাদীর দিনপঞ্জিকা আগে আমার পরিচিত এক বড় ভাইয়ের হোস্টিং এ রেখেছিলাম। আমার যখন নিজের ডোমেইনে ব্লগ করার শখ হয় তখন আমাকে সেই বড় ভাই আপন মনে করে হোস্টিং দিয়েছিলেন। তার এই অবদান আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি এবং তাকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা আমার আবদার, ঝামেলা, গুতানো সহ্য করার জন্য। গত নভেম্বর/ডিসেম্বরের দিকে বাংলা সাইটগুলো হ্যাকিং (প্রচলিত হ্যাকিং নয়, ডোমেইন রিডাইরেকশন, স্ক্রিপ্ট ইনজেকশন ইত্যাদি) এর সম্মুক্ষিন হয়, তখন আমার বড় ভাই নিরাপত্তার জন্য ফাইল অল্টারেশন ও ডোমেইন রিডাইরেকশন বন্ধ করে দেন। আমার ব্লগটি রুটে না থেকে একটা সাবফোল্ডারে ছিলো, ফলবর্তীতে ব্লগটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পরে। এরপর বহুদিন (পাঁচ মাসেরও বেশি সময়) আমার এই ব্লগটি নিষ্ক্রিয় ছিলো। নিজের ব্যস্ততা তার উপর বড় ভাইয়ের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে ব্লগটি আর চালু করা হয়নি।<br />
<br />
এখন আবার ঠিক করলাম ব্লগটি চালু করা যাক, তবে বড় ভাই যেহেতু ব্যস্ত তাই আর তাকে বারবার বিরক্ত না করে সিদ্ধান্ত নিলাম নিজের হোস্টিং এই এবার ব্লগ করবো। তাই নিয়ে নিলাম <a href="http://www.trancehost.com/" target="_blank">Trancehost</a> এর Armin প্যাকেজ একটা ব্যক্তিগত ব্লগের জন্য এই প্যাকেজই যথেষ্ট। এর আগেও Trancehost এর হোস্টিং নিয়েছি <a href="http://www.amigosclothing.com/" target="_blank">Amigos Clothing</a> এর জন্য। সুতরাং এদের সেবার মান সম্পর্কে ভালোই ধারণা আছে।<br />
<br />
তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমি আমার পুরাতন কয়েকটি ব্লগ পোস্ট আর অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীদের মন্তব্য হারিয়েছি এর মাঝে। কিন্তু কি করার কিছু পেতে হলে কিছু হারাতে হয়। ব্লগটা চালু করতে গিয়ে হয়তো কিছু লেখা কিছু মন্তব্যই না হয় হারালাম।<br />
<br />
ব্লগটি মাত্র পুনরায় চালু হলো। এখনও বেশ কিছু কাজ বাকি আছে। সেগুলো শেষ হলে পরে মাঝে মধ্যেই নতুন লেখা লিখতে পারবো আশা করি। সবাইকে আমার ব্লগে পুনরায় স্বাগতম।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2011/05/20/%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি পারী শুনছো</title>
		<link>http://ashabadi.com/2010/11/27/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2010/11/27/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 26 Nov 2010 18:08:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[চাকরী]]></category>
		<category><![CDATA[নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[অঞ্জন দত্ত]]></category>
		<category><![CDATA[জীবিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=193</guid>
		<description><![CDATA[চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি পারী শুনছো এখন আর কেউ ঠেকাতে পারবে না সমন্ধটা এইবার তুমি পাকা করতে পারো মাকে বলে দাও শীঘ্রই বিয়ে তুমি করছো চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি পারী সত্যি আর মাত্র কয়েকটা বছর ব্যাস স্টার্টিং-এ ওরা ভালোই দিবে &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2010/11/27/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><font size="4"><br />
চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি পারী শুনছো<br />
এখন আর কেউ ঠেকাতে পারবে না<br />
সমন্ধটা এইবার তুমি পাকা করতে পারো<br />
মাকে বলে দাও শীঘ্রই বিয়ে তুমি করছো<br />
<br /></br><br />
চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি পারী সত্যি<br />
আর মাত্র কয়েকটা বছর ব্যাস<br />
স্টার্টিং-এ ওরা ভালোই দিবে দুই বছর পর কনফার্ম<br />
চুপ করে কেনো পারী কিছু বলো<br />
<br /></br><br />
এটা কি _ _ _ _ _ _ _<br />
পারী তুমি পারছো কি শুনতে?<br />
২বার এ্যানগেজ টোন পেরিয়ে তোমাকে পেয়েছি<br />
দেবনা কিছুতেই আর রাখতে<br />
<br /></br><br />
হ্যালো _ _ _ _ _ _ _<br />
এসো না পারী দেখা করো একটি বার<br />
বিল যাচ্ছে বেড়ে এই হতচ্ছাড়া মোবাইলে<br />
জরুরী খুব জরুরী দরকার<br />
<br /></br><br />
স্বপ্ন এবার হয়ে যাবে পারী সত্যি<br />
এতদিন ধরে এতো অপেক্ষা<br />
রাস্তার মোড়ে মোড়ে ধুলাবালি মাখা দুজনে<br />
রোদবৃষ্টিতে কতো প্রতীক্ষা<br />
<br /></br><br />
আর কিছুদিন তারপর পারী বন্দি<br />
ডিওএইচএসের এই সাদা দেয়ালের ঘর<br />
সাদাকালো এই গাড়িতে ভরা অন্যায়ের শহরে<br />
তোমার আমার রঙীন সংসার<br />
<br /></br><br />
চুপ করে কেনো একি পারী তুমি হাসছো?<br />
চাকরীটা আমি পেয়ে গেছি সত্যি<br />
কান্নাকাটির হল্লাহাটির সময় গেছে পেরিয়ে<br />
হ্যালো লাইনটা কেটে গেলো কি?&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;<br />
<br /></br><br />
নব্বই এর দশকের শেষ দিকে অঞ্জন দত্তের &#8220;হ্যালো ২৪৪ ১১ ৩৯&#8221; গান ঝড় তুলেছিলো তরুণ প্রজন্মের মাঝে। এই গান এখনও বহ মানুষের পছন্দের তালিকায় আছে। আমারও পছন্দের তালিকায়। কিন্তু এতোদিন আমার জীবনের সাথে সমন্বয় করে গেতে পারতাম না। আজ সত্যি যখন গাইবার সুযোগ এসেছে এমনি একটু দুস্টুমি করার লোভ সামলাতে পারলাম না।<br />
আমেরিকান ইন্টারন্যাশন্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ শেষ করেছি জুন-এ। তার পর পাঁচ মাস বেকারত্ব জীবন। সবাই জিজ্ঞাসা করে কি করতে চাও কোথায় যোগ দিবে, চাকরী খুঁজছো নাকি ইত্যাদি ইত্যাদি। তার উপর প্রিয় মানুষের কান্না মনোমালিন্য হওয়া কেনো আমি কিছু করছি না, কেনো জীবন নিয়ে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আমি উদাসীন। মাঝে তো দুই তিনদিন কথা বলাও বন্ধ।<br />
তারপরই বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো একটা সুযোগ। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক তাদের কালেকশন ডিপার্টমেন্টের এমআইএস টিমে একজন যোগ্য প্রার্থী খুঁজছিলো। যদিও আমি জানতাম না কোন পোস্টে কি দায়িত্ব তারপরও সিভি দেয়া হলো ঝোঁকের বশে। গত মঙ্গলবার ইন্টারভিউ হলো তাদের অফিসে বেলা ৫টায়। পৌনে এক ঘন্টার ইন্টারভিউ-এ কি বললাম না বললাম ঠিক নাই, যেহেতু আমার জব ডেসক্রিপশন জানা ছিলো না তাই ধরেই নিয়েছিলাম চাকরী হবে না। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে বুধবার ফোন দিয়ে জানায় তারা আমাকে নির্বাচন করেছে এবং বৃহঃস্পতিবার সকালে যেনো রিপোর্ট করি। বৃহঃস্পতিবার সকাল ১০টায় রিপোর্ট করলাম। অমিতদা আমাকে সামান্য ব্রিফিং করে সুমন ভাই এবং মাজহার ভাইয়ের হাতে ছেড়ে দিলেন। তারা দুজনে আমাকে দেখালেন কি কি কাজ তারা কিভাবে করছেন। কিছু মকআপ টেস্ট দিলেন দেখার জন্য কিছু বুঝেছি নাকি। শেষ করে তারপর সারাদিন বসে থাকা। প্রথমদিন বলে তারা কোন কাজ তেমন দেননি হয়তো ভবিষ্যতে এমন কাজের চাপ আসবে যে জান বের হয়ে যাবে। তারপরও বসে থাকার চেয়ে কিছু করা তো ভালো?<br />
আশা করি আমার চাকরী জীবন দীর্ঘস্থায়ী ও সুখের হবে।</p>
<p>==<br />
শাহরিয়ার তারিক মুনিম বিন মঞ্জুর<br />
রিসার্চ এন্ড স্ট্র্যাটেজিক এনালিস্ট<br />
বাসা নং ২১, রোড নং ৮, ধানমন্ডি, ঢাকা<br />
<br />
পুনশ্চ: যারা গানটা শুনতে চান তাদের জন্য। তবে আশা করি গানটা শুনে ভালো লাগলে অবশ্যই সিডিটি কিনে গান শুনবেন, গায়ক/শিল্পীদের উৎসাহ দিবেন এমন অসাধারণ গান যেনো তারা আমাদের দিয়ে আসতে থাকেন।<br />
<br /></br><br /></br></p>
<table bgcolor="#000000" cellpadding="0" cellspacing="0">
<tr>
<td><embed quality="high" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" type="application/x-shockwave-flash" bgcolor="#000" width="328" height="94" src="http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/esnips_player.swf" flashvars="theTheme=blue&amp;autoPlay=no&amp;theFile=http://www.esnips.com//nsdoc/883ed150-b0ba-4634-b0d0-56da3eb42530&amp;theName=Anjan Dutta - Hello 2441139(Bela Bose)&amp;thePlayerURL=http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/mp3WidgetPlayer.swf"></embed></td>
</tr>
<tr>
<td>
<table cellpadding="2" style="font-family:Verdana, Arial, Helvetica, sans-serif; padding-left:2px; color:#FFFFFF; text-decoration:none ; ; font-size:10px; font-weight:bold">
<tr>
<td><a style="color:#FFFFFF; text-decoration:none " href="http://www.esnips.com/CreateWidgetAction.ns?type=0&#038;objectid=883ed150-b0ba-4634-b0d0-56da3eb42530"> Get this widget </a></td>
<td style="font-size:7px; font-weight:normal;">|</td>
<td align="center"><a align="center" style="color:#FFFFFF; text-decoration:none " href="http://www.esnips.com/doc/883ed150-b0ba-4634-b0d0-56da3eb42530/Anjan-Dutta---Hello-2441139(Bela-Bose)/?widget=flash_player_esnips_blue"> Track details </a></td>
<td style="font-size:7px; font-weight:normal;">|</td>
<td><a align="center" style="color:#FF6600; text-decoration:none" href="http://www.esnips.com//adserver/?action=visit&#038;cid=player_dna&#038;url=/socialdna"> eSnips Social DNA </a></td>
</tr>
</table>
</td>
</tr>
</table>
<p></font></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2010/11/27/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জীবিকার সন্ধানে</title>
		<link>http://ashabadi.com/2010/10/25/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2010/10/25/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 25 Oct 2010 05:59:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[চাকরী]]></category>
		<category><![CDATA[নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[চাকরী চাই]]></category>
		<category><![CDATA[জীবিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://ashabadi.com/?p=191</guid>
		<description><![CDATA[ছোটবেলা থেকেই আমরা সবাই ছুটছি এক এমন লক্ষ্যের পিছনে যা যেনো প্রতিনিয়ত দুর্বার গতিতে আরও দূরে সরে যাচ্ছে। যে যতো দ্রুত যতো উন্নতি করে সেই লক্ষ্যের কাছে যেতে পারে সে ততোই সফল। এই সফলতা জীবনের লক্ষ্য পূরণে। প্রায় প্রতিটি মানুষই &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2010/10/25/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><font size="4">ছোটবেলা থেকেই আমরা সবাই ছুটছি এক এমন লক্ষ্যের পিছনে যা যেনো প্রতিনিয়ত দুর্বার গতিতে আরও দূরে সরে যাচ্ছে। যে যতো দ্রুত যতো উন্নতি করে সেই লক্ষ্যের কাছে যেতে পারে সে ততোই সফল। এই সফলতা জীবনের লক্ষ্য পূরণে। প্রায় প্রতিটি মানুষই স্বপ্ন দেখে সমাজে বেশ মান্যগণ্য ব্যক্তি হবে, তার যেমন সম্মান থাকবে, থাকবে প্রতিপত্তি, সম্পত্তি। আবার অনেকেই কেবল স্বপ্ন দেখে ছোট একটা সুখী পরিবারের, যেখানে অর্থের ছড়াছড়ি না থাকলেও স্বচ্ছন্দ আছে ভালোবাসা আছে। তাই তারা পড়ালেখা করে, কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে জীবিকার সন্ধানে বেড়িয়ে পড়ে।<br />
<br /></br><br />
আজ আমিও সেই মিছিলে যোগদান করলাম। আমিও বেড়োতে চাই জীবিকার সন্ধানে আমার স্বপ্ন পূরণে।<br />
<br /></br><br />
আমার স্বপ্ন আমি গন্যমান্য না হই তবে সমাজে যেনো ভালো কোন প্রভাব ফেলতে পারি। হাজারো মানুষের মতো কেবল পৃথিবীতে আসলাম, নিজের ক্ষুদ্র পরিসরে জীবন যাপন করে মরে গেলাম, আমি যে পৃথিবীতে এসেছিলাম তা গুটি কয় আপন আত্মীয় ছাড়া কেউ স্মরণ রাখবে না তাহলে তো আমার সে জীবন বৃথা। আমার পদক্ষেপ যতোই ক্ষুদ্র হোক না কেনো যাতে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়, যাতে আর কারো জীবনে একটু হলেও পরিবর্তন আসুক। আর আমার এই স্বপ্ন তো কেউ পূরণ করে দিবে না। নিজের জীবিকা অর্জনের মধ্য দিয়ে আমাকে এই পরিবর্তনের ধারা আনার চেষ্টা করতে হবে।<br />
<br /></br><br />
আবার অতিসম্প্রতি নতুন এক স্বপ্ন যুক্ত হয়েছে। আমার ভালোবাসার মানুষের সাথে একটি সুখী পরিবারের। সুখ স্বচ্ছন্দ আস্থা নির্ভরতা ভালোবাসায় ভরা একটি সংসার। এই স্বপ্নও পূরণ করা চাই আমার।<br />
<br /></br><br />
তাই আমি জীবিকার সন্ধানে আপনাদের দুয়ারে কড়া নাড়ছি। আছে কি ভাই কোন চাকরী আমার জন্য?<br />
<br /></br><br />
<b>
<ul>আমার সিভি:</ul>
<p></b><br /></br><br />
<a title="View CV of Shahriar Tariq on Scribd" href="http://www.scribd.com/doc/40394842/CV-of-Shahriar-Tariq" style="margin: 12px auto 6px auto; font-family: Helvetica,Arial,Sans-serif; font-style: normal; font-variant: normal; font-weight: normal; font-size: 14px; line-height: normal; font-size-adjust: none; font-stretch: normal; -x-system-font: none; display: block; text-decoration: underline;">CV of Shahriar Tariq</a> <object id="doc_590522562856109" name="doc_590522562856109" height="600" width="100%" type="application/x-shockwave-flash" data="http://d1.scribdassets.com/ScribdViewer.swf" style="outline:none;" ><param name="movie" value="http://d1.scribdassets.com/ScribdViewer.swf"><param name="wmode" value="opaque"><param name="bgcolor" value="#ffffff"><param name="allowFullScreen" value="true"><param name="allowScriptAccess" value="always"><param name="FlashVars" value="document_id=40394842&#038;access_key=key-2aewiw3io6ijcrq3k2j3&#038;page=1&#038;viewMode=list"><embed id="doc_590522562856109" name="doc_590522562856109" src="http://d1.scribdassets.com/ScribdViewer.swf?document_id=40394842&#038;access_key=key-2aewiw3io6ijcrq3k2j3&#038;page=1&#038;viewMode=list" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="600" width="100%" wmode="opaque" bgcolor="#ffffff"></embed></object></font></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2010/10/25/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নতুন রূপে লিনাক্স ফোরাম আপনারই প্রতীক্ষায়!</title>
		<link>http://ashabadi.com/2010/08/06/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2010/08/06/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Aug 2010 06:00:09 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[উবুন্টু বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[উবুন্টু লিনাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[ওপেনসোর্স]]></category>
		<category><![CDATA[কুবুন্টু লিনাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[বিএলইউএ]]></category>
		<category><![CDATA[লিনাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফোরাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা ফোরাম]]></category>
		<category><![CDATA[লিনাক্স ফোরাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.ashabadi.com/?p=183</guid>
		<description><![CDATA[আপনি একজন লিনাক্স ভক্ত, কিন্তু আপনার মনে খুব দুঃখ যে শুধুমাত্র লিনাক্স নিয়ে আলোচনা করার জন্য বাংলায় কোনো ফোরাম নেই। সমস্যায় পড়লে বিভিন্ন বাংলা ফোরাম কিংবা ব্লগে গিয়ে সাহায্য চাইতে হয়। তাছাড়া অনলাইনে লিনাক্স নিয়ে বাংলায় আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2010/08/06/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify">আপনি একজন লিনাক্স ভক্ত, কিন্তু আপনার মনে খুব দুঃখ যে শুধুমাত্র লিনাক্স নিয়ে আলোচনা করার জন্য বাংলায় কোনো ফোরাম নেই। সমস্যায় পড়লে বিভিন্ন বাংলা ফোরাম কিংবা ব্লগে গিয়ে সাহায্য চাইতে হয়। তাছাড়া অনলাইনে লিনাক্স নিয়ে বাংলায় আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ফোরাম না থাকায় লিনাক্স ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন বাংলা ব্লগ ও ফোরামে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছেন। কেমন হত যদি এই সব লিনাক্স ব্যবহারকারীদের একছাদের নীচে আনা যেত। যদি শুধু লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য একটা ফোরাম থাকতো! যেখানে সব লিনাক্স ব্যবহারকারীরা একসাথে আড্ডা মারবেন। মনের সুখ-দুঃখের কথা বলতে পারবেন, একে অন্যকে সাহায্য করতে পারবেন, সেই সাথে নিজেদের মধ্যে ঠাট্টা তামাশাও করতে পারবেন। শুধু চিন্তা করে দেখুন, সব লিনাক্স ব্যবহারকারী এক জায়গায়! আপনি উবুন্টু-মিন্ট-ফেডোরা যেটা নিয়েই সমস্যায় পড়েন না কেন, কেবল কোনো মতে হাঁচড়ে পাঁচড়ে সেই জায়গায় গিয়ে পৌঁছুতে পারলেই হয়, বাঘা বাঘা লিনাক্স ব্যবহারকারীরা আপনার সমস্যা সমাধানে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ভাবতেই মনটা ভালো হয়ে যাচ্ছে &#8211; তাইনা!<br />
<br /></br><br />
২০০২ সাল থেকে স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন <a href="http://linux.org.bd/" target="_blank">বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স বা বিএলইউএ</a> বাংলাদেশে লিনাক্স ছড়িয়ে দেবার জন্য কাজ করে আসছে। বিএলইউএ এর শাখা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে উবুন্টু বাংলাদেশ এবং ফেডোরা বাংলাদেশ। তাছাড়া বাংলাদেশে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর অ্যাফিলিয়েট হিসেবে কাজ করছে বিএলইউএ। পাশাপাশি বেশ কিছু সফটওয়্যারের বাংলা লোকালাইজেশনের উপরও কাজ হচ্ছে বিএলইউএ। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে যে, সেই ২০০৫ সাল থেকেই কেবলমাত্র বাংলাদেশী লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য বিএলইউএ একটি ফোরাম রয়েছে। এর নাম <a href="http://forum.linux.org.bd" target="_blank">লিনাক্স ফোরাম</a>।<br />
<br /></br><br />
অবাক হচ্ছেন তাইনা! একটা পুরো ফোরাম লিনাক্সের জন্য, তাও আবার বাংলাদেশের লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য &#8211; অথচ এ ব্যাপারটাই আপনি জানতেননা। না জানার মূল কারণ হচ্ছে লিনাক্স ফোরাম যখন থেকে শুরু হয় (২০০৫ সালে) তখনও লিনাক্স বাংলাদেশে ততটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি, তাছাড়া সেসময় লোকজন এখনকার মত ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতো না ফলে ব্লগে ও ফোরামগুলোতে এত লোকের আনাগোনা ছিলনা। তাই স্বল্পসংখ্যক ব্যবহারকারীর ব্যবহার করা ফোরামটি অনেকটা আড়ালেই ছিল। তাছাড়া ফোরামটি বাংলাদেশীদের জন্য তৈরি করা হলেও সেসময় বাংলা লোকালাইজেশনের সুবিধা সেরকম না থাকায় এর ভাষা ছিল ইংলিশ। ফলে মায়ের ভাষায় সেভাবে আলোচনা করতে না পারায় এবং তার কিছু পরেই অনলাইনে সম্পূর্ণ বাংলা কয়েকটি ফোরাম চলে আসায়, লিনাক্স ফোরাম কার্যত অদৃশ্য হয়ে পড়ে।<br />
<br /></br><br />
বর্তমানে বাংলাদেশে লিনাক্স প্রসার ও প্রচারে এবং নবীন ব্যবহারকারীদের জন্য লিনাক্স সম্পর্কীত বিভিন্ন আলোচনার জন্য কয়েকটি বাংলা ফোরাম ও ব্লগের অবদান অনস্বীকার্য। সত্যি বলতে কি, ঐ সব ফোরামে মাধ্যমেই লোকজন লিনাক্স সম্পর্কে উৎসাহী হয়েছে এবং এখন লিনাক্স ব্যবহার করছে। কিন্তু এতে কিছু সমস্যায়ও পড়তে হয় নতুন ব্যবহারকারীদের। যেহেতু এরকম কোনো ফোরাম বা ব্লগ নেই যেখানে সকল লিনাক্স ব্যবহারকারী একসাথে রয়েছেন, সেহেতু দেখা যায় যে সর্বোচ্চ সাহায্য পাবার আশায় একজন ব্যবহারকারী একই প্রশ্ন বিভিন্ন ফোরাম ও ব্লগে পোস্ট করেন এবং উত্তর দেখার জন্য সবগুলো ফোরাম ও ব্লগে তাকে নিয়মিত যেতে হয়। ব্যাপারটা বেশ ঝামেলার। তাই শুধুমাত্র লিনাক্সের জন্য একটা বাংলা ফোরামের অভাব সবসময়ই অনুভূত হত। এমন একটা ফোরাম যেখানে নবীন থেকে প্রবীন কিংবা নাদান থেকে ঝানু সব ধরনের লিনাক্স ব্যবহারকারীরা একত্রিত হবেন, যেখানে নতুন ব্যবহারকারীরা সব রকমের সাহায্য পাবেন, যেখানে পুরনো ব্যবহারকারীরা তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন ব্যবহারকারীদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবেন, যেখানে লিনাক্স ব্যবহার করতে গিয়ে মুখোমুখি হওয়া যে কোনো সমস্যা নিয়ে যে কেউ নির্দ্বিধায় আলোচনা করতে পারবেন। সোজা কথায়, শুধু বাংলায় পুরোপুরি লিনাক্সময় একটা ফোরামের খুব অভাব ছিল।<br />
<br /></br><br />
বাংলা ভাষায় নির্মিত সম্পূর্ণ লিনাক্স ফোরামের এই অভাবটি এবার ঘুচতে যাচ্ছে। বিএলইউএ লিনাক্স ফোরামটিকে পুরোপুরি বাংলায় রূপান্তর করে ফেলা হয়েছে। সেই সাথে নতুন থিম ব্যবহার করে চেহারায়ও নতুনত্ব দেয়া হয়েছে লিনাক্স ফোরামকে। বলা যায় যে নতুন রূপে লিনাক্স ফোরামের পুণর্জন্ম হয়েছে। এবার লিনাক্সপ্রেমী ও লিনাক্স ব্যবহারকারীদের কলতানের অপেক্ষায় রয়েছে ফোরামটি। আপনি যদি লিনাক্স নিয়ে আগ্রহী হয়ে থাকেন কিংবা আপনি যদি লিনাক্সের দুনিয়ায় নতুন হয়ে থাকেন, যদি লিনাক্সের সাথে আরো ভালোভাবে পরিচিত হতে চান, যদি লিনাক্সের সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করতে চান, যদি লিনাক্স নিয়ে যেকোন সমস্যায় অভিজ্ঞদের পরামর্শ পেতে চান &#8211; তবে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে লিনাক্স ফোরাম। আর আপনি যদি লিনাক্সের দুনিয়ায় পুরনো হয়ে থাকেন, আপনি যদি আপনার অভিজ্ঞতার ঝুলি দিয়ে নতুনদেরকে সাহায্য করতে উদগ্রীব হয়ে থাকেন, আপনি যদি বাংলাদেশে লিনাক্স প্রচার ও প্রসারে যদি কিছু করতে চান &#8211; তাহলে আপনার জন্যও ফোরামটি অপেক্ষা করছে। আপনি যদি উপরের দু&#8217;ধরনের কোনটাই না হয়ে থাকেন, তারপরও আপনি লিনাক্স ফোরামে আমন্ত্রিত; লিনাক্স কি, এটা দিয়ে কি করা যায় না করা যায়, আপনার সব কাজ কিভাবে লিনাক্স দিয়ে করতে পারবেন ইত্যাদি নিয়ে কিছু ধারণা পাবেন। আর কিছু নাহোক, বাংলাদেশী লিনাক্স ব্যবহারকারীদের সাথে অন্তত আড্ডা তো মারতে পারবেন।<br />
<br /></br><br />
লিনাক্স ফোরাম আপনার জন্য প্রস্তুত। আপনি যোগ দিতে প্রস্তুত তো? আমরা কিন্তু আপনার নিবন্ধনের অপেক্ষায় রয়েছি&#8230;<br />
<br /></br><br />
<a href="http://forum.linux.org.bd" target="_blank">http://forum.linux.org.bd</a><br />
<br /></br><br />
প্রচারে:<br />
বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স (বিএলইউএ)</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2010/08/06/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভালোবাসার কিছু কথা</title>
		<link>http://ashabadi.com/2010/07/31/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://ashabadi.com/2010/07/31/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 31 Jul 2010 16:17:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আশাবাদী</dc:creator>
				<category><![CDATA[নিজের মনে কথা]]></category>
		<category><![CDATA[আত্মকথা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রিয় মানুষ]]></category>
		<category><![CDATA[ভালোবাসা]]></category>
		<category><![CDATA[ভালোবাসার কথা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.ashabadi.com/?p=177</guid>
		<description><![CDATA[পরিচয় ও সম্পর্কের অগ্রসর তাকে আমি প্রথম দেখেছিলাম কলেজে থাকতে। না কোন নাটকীয়তা নেই, নেই কোন ঝনঝনানি। খুবই স্বাভাবিকভাবে পরিচয়। এমন কতোজনের সাথেই তো পরিচয় হয়, এরপরও কিছু কিছু পরিচয় জীবনটাকে বদলে দিতে পারে। তার সাথে পরিচয় এমনই&#8230;. রাযি, মিঠু, &#8230;<p class="read-more"><a href="http://ashabadi.com/2010/07/31/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/">Read more &#187;</a></p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><font size="4">
<p style="text-align:justify"><strong>পরিচয় ও সম্পর্কের অগ্রসর</strong></p>
<p>তাকে আমি প্রথম দেখেছিলাম কলেজে থাকতে। না কোন নাটকীয়তা নেই, নেই কোন ঝনঝনানি। খুবই স্বাভাবিকভাবে পরিচয়। এমন কতোজনের সাথেই তো পরিচয় হয়, এরপরও কিছু কিছু পরিচয় জীবনটাকে বদলে দিতে পারে। তার সাথে পরিচয় এমনই&#8230;.<br />
<span id="more-177"></span></p>
<p>রাযি, মিঠু, আমি এই তিনজন তখন কম্পিউটার কোচিং করতে যাবো আমাদের কলেজের &#8216;কম্পিউটার শিক্ষা&#8217;র শিক্ষকের কাছে। তো তখন পুরো ব্যাচ না হলে শিক্ষকরা পড়াতে চাইতেন না। আমরা ব্যাচমেট খুঁজছি, এমন সময় একদিন রাযি বললো তার পরিচিত এক মেয়ে আছে নিউটন বি-তে সেও পড়তে চাচ্ছে কম্পিউটার কোচিং-এ। তো ভালোই হলো একদিন কলেজ ছুটির পর দেখা করার কথা হলো।</p>
<p>সেদিন ছুটির পর সে এলো, না বলবো না তাকে দেখে হৃদয়খানি ছলকে উঠেছে, বলবো না মনের ভিতর কুহুকুহু রব উঠেছে। ওকে আগেও কয়েকবার দেখেছিলাম আফরিনের সাথে তবে সেভাবে খেয়াল করা হয়নি (আমি মেয়েদের বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ দেখাতাম কম)। সত্যি বললে প্রথমেই ভালো লেগেছে তাকে, বেশ ভালো লেগেছে। আময়িক, মিষ্টভাষী এক মেয়েকে কার না ভালো লাগবে। তবে আমি নিজেও অনেক চাপা স্বভাবের ছিলাম তাই বেশি কথা তার সাথে বলা হয়নি। কোচিং বিষয়ে যা কথা বলার রাযি আর মিঠুই বললো আমি শুধু শুনে গেলাম (আসলে ঠিক শুনি নাই, এক কান দিয়ে ঢুকলে আরেক কান দিয়ে বের হয়ে গেছে। কারণ আমার মনোযোগ কোনদিনই পড়ালেখার দিকে ছিলো না)।</p>
<p>যাই হোক কিছুদিন পর কোচিং শুরু হলো। কলেজের পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো, স্যার বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে খাবার পর আমরা যেতাম। এই অপেক্ষার সময়টা আমরা শাহীন কমপ্লেক্সে অপেক্ষা করতাম। মিঠু &#8216;আনন্দ&#8217;-এর সিঙ্গারা খুবই পছন্দ করতো। প্রায়ই আমরা সেখানে সিঙ্গারা খেতাম। মিঠু, রাযি, আমি একসাথে থাকলেও সে আসতো না, আমাদের সাথে খেতোও না (আসলে এভাবে খাওয়াটা তার পছন্দের ছিলো না, কারণ বিল পে করার সময় একজনই তা করতো সবাই শেয়ার করতো না, অধিকাংশ সময় দেখা যেতো সে আমাদের গেস্ট হিসেবে থাকতো, হোস্ট হিসেবে নয়)। সে অনেক পরে আসতো যখন সময় হতো তার কিছুক্ষণ আগে। আমরা গল্প করতে করতে হাঁটতাম। আমরা বলতে আসলে মিঠু রাযি আর সেই কথা বলতো, আমি সেভাবে কথা বলতাম না। এর কারণ আমি কিছুটা চাপা আবার কখনও কখনও তাদের কথা বুঝতে পারতাম না। আমি হাঁটতাম একটু দূরে দূরে, ওদের দেখতাম ওদের কথা শুনতাম, ওকে ছলখল করতে দেখেছি অনেকদিন ধরেই।</p>
<p>এভাবে ধীরে ধীরে সম্পর্ক বাড়ে আমাদের মাঝে। ভালো লাগাও বাড়ে। উহু এই ভালো লাগাকে প্রেম বলা যায় না। কেবলই নিছক আকর্ষণ পছন্দ করা, বন্ধু হিসেবে সম্পর্ক প্রগাঢ় হওয়া। সেই মনে হয় প্রথম মেয়ে যার সামনে কথা বলার সময় আমাদের আলাদা অসংকোচ থাকেনি, কেবল নিছক বন্ধুই মনে হয়েছে মেয়ে বন্ধু বা বান্ধবী নয়। তার সঙ্গে কৌতুক করা, হাহাহিহি করা, শয়তানী করা, সিগারেট নিয়ে কাড়াকাড়ি করা, ডাব খাওয়া, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া করা, কোনকিছুই বন্ধ হয়নি। মেয়েটি আমাদের কর্মকান্ড বিস্ময়ভরা চোখ দিয়ে দেখতো, আমাদের কথা মন দিয়ে শুনতো, মিষ্টি করে হাসতো। কোচিং শেষে আবার অনেকদিন কলেজ শেষেও আমরা ভলবোতে চড়ে ফিরতাম। সুযোগ হলেই দোতলায় উঠে যেতাম আর পাশাপাশি সিট দখল করে চিল্লাচিল্লি হাহাহিহি। মিঠু মাতিয়ে রাখতো মজার কথা বলে, রাযি নতুন নতুন ভাবগম্ভীর কথা বলতো, আর আমি রাযি সাথে অথবা মিঠুর পিছে লাগতাম। সে মিঠুর কথা শুনে হাসতো, আমাদের ঝগড়া থামাতো। হাসিখুশি থাকতাম আমরা সবাই।</p>
<p>তাকে দেখে দেখে তার প্রতি আকর্ষণ আরও বেড়ে ওঠে কিন্তু তারপরও আলাদা কিছু মনে হয়নি। কলেজে আমাদের বয়স এমন থাকে যে কিছুদিন হয়েছে মাত্র ছেলেমেয়ের মাঝে যে আলাদা সম্পর্ক হতে পারে, ভালোবাসা বলে কিছু আছে তা নিয়ে বন্ধুবান্ধবের মধ্যে আলোচনা চলে। কখনও কখনও আমারও মনে হয়েছে &#8216;যদি কাউকে ভালোবাসতে পারতাম, কেউ আমাকে ভালোবাসতো&#8217;। কিন্তু তারপরও আমি ভালোবাসার কাঙ্গাল ছিলাম না, একসময় আমার মনে হয়েছে ভালোবাসা কিছুই নয়, কিছু তীব্র অনুভূতি যা একজন আরেকজনকে কাছে টেনে নেয়। তাই ভালোবাসবো কাউকে, বিয়ে করবো, ঘর সংসার করবো এসব মনে হয়নি, মনে হবার বয়সও ছিলো না। আর তাই তাকে কেবল ভালো লাগে এটাই জানতাম।</p>
<p>এই ভালো লাগাটা বেড়ে যায় আরও বহুগুন এক বর্ষার দিনে। বৃষ্টি আমার অসম্ভব পছন্দের জিনিস। যখনই বৃষ্টি হয় যদি বাইরে থাকি আমি অবশ্যই ভিজবো, তাতে জামাকাপড় কাগজপাতি ভিজে গেলে যাবে। স্কুলে কলেজে তো এই জিনিসটা আরও বেশি ছিলো। যাই হোক যা বলছিলাম। কলেজ ছুটি হয়েছে বাসায় ফিরবো আমরা, হঠাৎ বৃষ্টি শুরু। আমি সাথে সাথে ভেজার জন্য ছটফট, রাযি মিঠুকে বলায় রাজি ওরা, তাকে জিজ্ঞাসা করলাম ভিজবে নাকি। কিছুক্ষণ ভেবে আমাকে অবাক করে দিয়ে রাজি হয়ে গেলো সে। এরপর কি? ঝুম বৃষ্টিতে ভেজা, কাঁদায় লাফালাফি, হাহাহিহি করা, একজন আরেকজনকে ধাক্কা দেয়া। হঠাৎই লক্ষ্য করলাম তাকে কতো সুন্দর লাগছে। মনে হলো মেয়েরা সহজে ভিজে না কারণ তাদের দিকে অনেকে খারাপ ভাবে তাকায়। কিন্তু যদি কেউ সাদা চোখে দেখে তবে সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটাই দেখতে পারবে, মানুষ কতোটা সুন্দর হতে পারে তা বুঝতে পারবে। আমিও তাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আমার ইচ্ছে করেছে জড়িয়ে ধরি, একটু গালে হাত বুলিয়ে দেই। কিন্তু এরপরই লজ্জা লেগেছে এমন উদ্ভট চিন্তার জন্য। এরপর সারা রাস্তা সেভাবে কথা বলা হয়নি, বাসে সুযোগ হয়েছিলো তারপাশে বসার। না বসে রাযিকে বলি বসার জন্য। সেই দিনটির স্মৃতি অনেকদিন ধরে রয়ে গেছে, পরে অনেককিছু ঝাপসা হয়ে গেলেও তার বৃষ্টিতে নামা এবং বৃষ্টিতে ভিজে মুচকি হাসাটা এখনও মনে আছে এখনও চোখ বুজলে দেখতে পারি।</p>
<p>সেইদিনের পর তার পাশে যেতে ভালো লাগতো বেশ। আমরা সবাই রিক্সায় উঠলে আমি অথবা মিঠু উপরে উঠতাম।আমি উপরে উঠলে সে মাঝে বসতো আর তার চুলের ঘ্রাণ কখনও কখনও মাতিয়ে তুলতো। কিন্তু এগুলোকে হেসেই উড়িয়ে দিতাম।</p>
<p>এরপর আমরা টেস্ট পরীক্ষা দিলাম, দেয়ার পর সবাই উপলব্ধি করলো বাংলায় আমরা সবাই কাঁচা, ইন্টারে ভালো করতে হলে বাংলা কোচিং দরকার। আমরা আমাদের বাংলা শিক্ষিকার সাথে কথা বললাম। এবারও আমাদের গ্রুপে রাযি, মিঠু, সে ও আমি। সাথে মনে হয় আরও দুইএকজন ছিলো মনে নেই ঠিক। যাই হোক রাযি মিঠু সে ও আমি এক কাকলী মোড়ে আসতাম এসে হেঁটে হেঁটে শিক্ষিকার বাসায় যেতাম। ওনার বাসা খুব সুন্দর এলাকায় ছিলো, গাছগাছালি আর ছায়া ঘেরা। সেখান দিয়ে হাঁটতাম আমরা আর গল্প করতাম নানাবিষয় নিয়ে।</p>
<p>একসময় পরীক্ষা ঘনিয়ে আসলো। পরীক্ষা নিয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লো। পরীক্ষাও দিলাম। কিন্তু কেনো জানি দূরত্ব তৈরি হলো। পরীক্ষা দিয়ে রাযি, মিঠু আমি বের হয়ে কথা বলতাম তার দেখা পেলেও তার সাথে কথা হতো না বেশি। সে চলে যেতো। পরীক্ষা শেষ হলো, রাযি মিঠু আমি একসাথে আসলেও তার সাথে যোগাযোগ ক্ষীন হতে থাকলো। পরীক্ষার ফলাফল দিলো, রাযি মিঠুর সাথে দেখা হলেও তার সাথে দেখা হয়নি। পরীক্ষার সময়ের আর পরের ক্ষীন যোগাযোগ আর ফলাফলের সময় না থাকায় মন খারাপ হলো। অভিমানও সৃষ্টি হলো। (পরে জেনেছি তার ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় কষ্ট পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় চলে গিয়েছিলো)।</p>
<p>ফলাফলের পর যোগাযোগ নাই হয়ে গেলো। আমরা যে যার মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেলাম। রাযি আর আমি এআইইউবিতে গেলাম, মিঠু প্রথমে তিতুমীর এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলো। জীবনে নানা ঘটনা ঘটে গেলো। কেবল তার বিষয়ে কিছুই জানা হতো না। কেবল তার জন্মদিন ঘনিয়ে আসলেই মিঠু ফোন দিতো, বলতো তার জন্মদিনে যেনো আমরা শুভেচ্ছা জানাই তাকে। শুভেচ্ছা জানানো হতো, কিন্তু তারপরও তেমন কোন নতুন সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। হঠাৎ একদিন উত্তরায় দেখা, ব্রীজের উপর মা আর বোনের সাথে যাচ্ছিলো কোথাও। সামান্য কথা হলেও ভালো লাগলো। এরপর এক ঈদে তার বাসায় গেলাম রাযি, মিঠু সাথে। এক বছরের নিরামিষি ব্রত ভাঙ্গলাম কেবল তার হাতের রান্না মাংস খাওয়ার জন্য। গল্প হলো নতুন করে সেতুবন্ধন হলো। কালেভাদ্রে তার সাথে ফোনে কথা হতো। মাঝে মধ্যে রাতে ফোন দিতো জানতে চাইতো কি করি কিন্তু বেশি কথা বলতো না রেখে দিতো (আসলে সে মন খারাপ করে ফোন দিতো বন্ধুদের গলা শুনে মন হালকা করার জন্য, যদি এটা জানতাম তাহলে কখনই মন খারাপ নিয়ে ফোন রাখতে দিতাম না তাকে)।</p>
<p><strong>ভালোবাসার শুরু</strong></p>
<p>গত বছরের জুলাইয়ে আমি রাযির সাথে দেখা করতে যাই। রাযি আর আমি নানা বিষয়ে গল্প করছিলাম একসময় বের হলাম উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটতে। রাস্তায় তাকে রিক্সা করে যেতে দেখলাম বোনের সাথে। আমি ফোন দিতে বললাম রাযিকে, রাযি প্রথমে বললো ধরবে না, আমিও পরে ভাবলাম ধরলেও হয়তো ফিরবে না। এরপরও আশা নিয়ে ফোন দিলো রাযি। আমাদের আনন্দে ভাসিয়ে দিয়ে সে হাজির। অনেক সময় ধরে গল্প করা হাঁটা, নিজেদের জীবনের নানা কথা ভাগ করে নেয়া। সে তার দুঃখের কথা বলছিলো, তার অতীতের এক সম্পর্কের কথা বলছিলো তারই মাঝে হঠাৎ সে বলে উঠে</p>
<blockquote><p>“দ্যাখ, আমরা এতো বড় হয়ে গেছি, ২৪/২৫ বছর আমাদের। দুদিন পর বুড়াবুড়ি হয়ে যাবো। কিন্তু এখনও কেউ আমাদের হাত নিয়ে বললো না &#8216;আমি তোমাকে ভালোবাসি&#8217; এটাতে খুব খারাপ লাগেরে। আমার খুব ইচ্ছে কেউ আমাকে বলুক &#8216;আমি তোমাকে ভালোবাসি&#8217;। কেউ আমাকে ভালোবাসে এই অনুভূতিটা আমি পেতে চাই!”</p></blockquote>
<p>জানি না তার এই কথাটা খুব নাড়া দিলো। খুব ইচ্ছে করলো তাকে জড়িয়ে ধরে বলি “আমি তোমাকে ভালোবাসি”। অনেকক্ষন হাঁটা হলো। রাযি আর সে অনেক বিষয়ে কথা বললো। আমি আপন মনে তার বোনের সাথে হাঁটলাম (পরে শুনেছিলাম তার বোন নাকি বলেছিলো আমাকে তার ভালো লেগেছে, আমি খুব শান্ত এবং ভাবুক প্রকৃতির)। এরপর আমরা তার বাসায় গেলাম রাযি তাকে অনেক কথা বললো কিভাবে শক্ত হতে হবে এগিয়ে যেতে হবে জীবন নিয়ে তা পরামর্শ দিলো। আমি কেবল দেখলাম তাকে, নিজের ভিতর অদ্ভুত একটা অনুভূতি অনুভব করছিলাম যা আগে কখনও হয়নি, কেমন জানি কষ্টকর, কিছু বুক থেকে উঠে আসতে চাইছে কিন্তু মুখ দিয়ে বের হচ্ছে না। মনে তোলপাড় চললেও মুখে হাসি নিয়েই ফিরি। সেদিন রাত্রে রাযির বাসায় ছিলাম কিন্তু একটুও ঘুমাতে পারিনি। কেবল তার দুঃখের কথাই ভাবছিলাম, ভাবছিলাম সে যেভাবে ভালোবাসা চেয়েছে আমি যদি সেভাবে তাকে ভালোবাসা দিতে পারতাম তাহলে কেমন হতো? সারারাত জেগে থাকার পর সকালে তাকে একটা রাইম লিখি</p>
<blockquote><p>“while she waited for prince charming to fall for her</p>
<p>she overlooked the humble peasant (who always loved her) was standing near</p>
<p>I never had any clue,</p>
<p>how to tell her &#8220;I Love You&#8221;.</p>
<p>Words that I could not say were in my eyes,</p>
<p>she looked at me but could not hear my cries”</p></blockquote>
<p>এতে আমার আকুতি আর ভালো লাগাটাই প্রকাশ করতে চেয়েছি।</p>
<p>এরপর একদুই মাস কেঁটে গেলো, একদিন রাযি, জাহিদ, বাপ্পী আর আমি দেখা করলাম জাহিদের বাসায়। গল্প করে একসময় আমরা &#8216;ক্যাপ্টেনস&#8217;-এ কফি খাবো বলে অনেক্ষণ হেঁটে গেলাম নানা বিষয়ে কথা বলতে বলতে ভালোবাসা নিয়ে কথা উঠলো, সবাই তাদের মতামত দিচ্ছিলো আমিও দিলাম। কফি অর্ডার দিয়ে বসেও কমবেশি একই বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছিলো।</p>
<p>আমার কথাবার্তায় হঠাৎ রাযি জিজ্ঞাসা করলো “কিরে কি হয়েছে তুই কাউকে ভালোবাসিস নাকি”।</p>
<p>আমি বলি “ওরকম কিছু না”।</p>
<p>তখন সবাই চেপে ধরে। হু হা করি।</p>
<p>একসময় রাযি অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ে “আমি মনে হয় জানি কাকে ভালোবাসিস”।</p>
<p>রাযি তার নাম বলায় আমি বললাম “হুমম কি করে বুঝলি?”</p>
<p>রাযি “বুঝা যায় বুঝা যায়, তো সমস্যা কি তাকে বলে ফ্যাল?”।</p>
<p>আমি “ধুর, ওকে ভালো লাগে সেটা ঠিক আছে, প্রচন্ড ভালো লাগে। কিন্তু ওকে যে ভালোবাসি সেটা বলতে পারি না।”</p>
<p>রাযি “তাহলে আর কি যদি তুই শিওর না হস, তাহলে তাকে তুই ভালোবাসিস বলে লাভ নাই। আগে শিওর হ”।</p>
<p>কথা সেখানে সেদিনের মতো শেষ হলেও রাযি পিছন ছাড়েনি। পরে নানা সময়ে কথা হয়েছে রাযির সাথে। রাযি আমাকে গুঁতাতে থাকে তাকে বলার জন্য।</p>
<p>এরপর তার সাথে আবার দেখা হয়, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কোন একদিন। সেদিন সে জানায় তার আগের সম্পর্কের সব স্মৃতি সে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চায়। সে কিছুদিন মুক্ত থাকতে চায়। রাযি আবারও গুতায় তাকে বলার জন্য। সরাসরি বলার মতো অবস্থা বা ভাষা আমার ছিলো না। তাই সে যখন চলে যেতে থাকে তাকে বলি</p>
<blockquote><p>“তোমার জীবনে তো এখন কেউ নেই, তোমার খালি হৃদয়ে কি একটু জায়গা পেতে পারি?”</p></blockquote>
<p>সে আমার হেয়ালীপূর্ণ কথা বুঝতে পারেনি, রাযিকে জিজ্ঞাসা করে আমি কি বলছি। রাযি তাকে আড়ালে নিয়ে গিয়ে বলে আমি তাকে ভালোবাসি কলেজ থেকে কখনও বলে ওঠা হয়নি।</p>
<p>জানি না তার মনে কি চলে। আমার মন যেনো নির্ভার হলো। কি হবে সে কি বলবে এই নিয়ে মনে সামান্য চিন্তা থাকলেও ফুরফুরে মেজাজেই বাসায় যাওয়া। রাতে সে ফোন দেয়। জিজ্ঞাসা করে আমি সন্ধ্যায় কি বলতে চেয়েছি আসলে। লাইনে সমস্যা হতে থাকায় তার কথা বুঝতে পারছিলাম না, সে রেখে দেয়। আমি আবার তাকে ফোন দেই। এরপর দীর্ঘ সময় আমাদের মাঝে কথা হয়। সে জানতে চায় আমি কেনো আগে তাকে বলিনি, আমি তার সম্পর্কে আসলেই সিরিয়াস কিনা। ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেকক্ষণ কথা শেষে সে বলে সে রাজি। আমার জীবনটাই বদলে যায় সেই সময় থেকে।</p>
<p><strong>ভালোবাসার দিনগুলো</strong></p>
<p>ভালোবাসা মানুষের জীবনকে রঙীন করে দেয়। কথাটা মিথ্যে নয়। তাকে ভালোবাসার পর আমার জীবনে নতুন রঙ লাগলো, পালে যেনো নতুন হাওয়া। তাকে শুরুতেই বলিনি ভালোবাসি, কেবল বলেছি ভালো লাগে। তাকে সেই কথাগুলো বলার পর থেকে নিয়মিত ফোনে কথা হতো, এরপর অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে তার সাথে দেখা করি। প্রথমবারের মতো ডেটিং, হুমমম কখনও মনে হয়েছি কী ডেটিং-এ যাচ্ছি? কেবল মনে হচ্ছিলো জীবন নামক নাটকের নতুন একটা অধ্যায়ের পর্দা উঠছে। তার সাথে দেখা হলো কোন এক ফাস্টফুড জয়েন্টে। নানা উদ্ভট কথা হলো। তাকে আমি ভরকে দিলাম এই কথা বলে,</p>
<blockquote><p>“শুনো একটা কথা পরিস্কার করে বলি, আমি তোমাকে ভালোবাসি আর যাই করি না কেনো ১০ বছরের আগে বিয়ে করতে পারবো না। আমার নিজের কিছু উপার্জনের ব্যবস্থা করতে হবে, আমার কিছু করার ইচ্ছে আছে সেগুলো পূরণ করতে হবে, এরপর কিছু টাকা জমাতে হবে তারপর বিয়ে করতে পারবো। তোমাকে সুখী করতে পারবো কিনা জানি না তবে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবো তোমার মনের মতো হতে।”</p></blockquote>
<p>মনে আছে প্রথম ডেট-এ বিল পে করেছিলো সে (হুমমম এখনও আমি কিছু খাওয়াতে চাইলে সহজে খেতে চায় না বা তাকে কিছু কিনে দিতে পারি না সহজে, অনেক তালবাহানা করে। কয়জন প্রেমিক আমার মতো সৌভাগ্যবান(!!) হয়??)</p>
<p>এরপর দুইজনে হাঁটলাম রাস্তা ধরে এলোমেলোভাবে। হাঁটতে খুবই খুবই ভালো লাগছিলো, অনেকটা পুরোনো কলেজের দিনগুলোর মতো। হাঁটতে হাঁটতে ইচ্ছে হলো তাকে জড়িয়ে ধরি বুকের মাঝে শক্ত করে। যেই ভাবা সেই তাকে বলা। শুনে সে আঁতকে উঠে একটু ধীর হয়ে গেলো হাঁটায়, বললো “পরে কোন একসময় হবে কিন্তু এভাবে রাস্তাঘাটে না কখনই”।</p>
<p>এরপর বিদায়। মজার বিষয় এই পুরোটা সময়ের কোন মূহুর্তেই আমরা একে অপরকে বলিনি ভালোবাসি।</p>
<p>তাকে প্রথম &#8216;ভালোবাসি&#8217; কথাটি বলি অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। মনের ভিতর একরাশ আবেগ নিয়ে বলেছিলাম</p>
<blockquote><p>“আমি এতোদিন বলিনি &#8216;তোমাকে ভালোবাসি&#8217;, কেবল বলেছি &#8216;তোমাকে ভালো লাগে&#8217;। আজ আমি বলতে পারি &#8216;আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্রচন্ডভাবে ভালোবাসি! ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি&#8217;”।</p></blockquote>
<p>এরপর কতো দিন কতো রাতই না কেটে গেছে মুগ্ধতায় ভালোবাসায়।</p>
<p>এই বছরের জানুয়ারী অন্যরকম একটা ঘটনা ঘটে যা আমার জীবনে নতুন মোড় এনে দেয় ভালোবাসায় আনে নতুন মাত্রা। তাকে প্রথমবারের মতো চুম্বন করি। ঘটনাটা বেশ আকস্মিক, আমি নিজেও ভেবেচিন্তে কিছু করিনি।</p>
<p>আমরা দুজনে যথারীতি বাসায় ফিরার পথে হাঁটছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে হাহাহিহি করার এক সময় তার কানে কানে বলি “তোমাকে ভালোবাসি, প্রচন্ড ভালোবাসি!” সে বললো, “প্রমাণ কি”। কি জানি কি ভেবে অথবা কিছু না ভেবেই তার দিকে ঝুঁকে এসে তার ঠোঁটে আলতো করে ঠোঁট ছুইয়ে চুমু খাই। সারা শরীরে অসাধারণ একটি অনুভূতি ছড়িয়ে গেলো। আমি নিজেও বিব্রত সেও বিব্রত, কিন্তু তার মাঝেও হলো অন্য রকম এক সম্পর্কের সেতুবন্ধন।</p>
<p>সে প্রায়ই তার বাসার ছাদ নিয়ে গল্প করতো, তাই একদিন সন্ধ্যায় তাকে বাসায় দিয়ে আসার সময় ছাদে যাই। আধো অন্ধকার মায়াময় সেই সন্ধ্যায় আবার নতুন করে তার প্রেমে পড়ি, তার সৌন্দর্যে মোহিত হই।</p>
<p>এরপর বহুবার আমি তাকে আমার বাহুবন্ধনে আবদ্ধ করেছি, বহুবার আমার ভালোবাসা নিবেদন করেছি। কিন্তু কখনই সেই অনুভূতি, সেই ভালো লাগা, সেই ঘোর কাটে না। আজও যখন তার সাথে দেখা করতে যাই তাকে দেখে হৃদয়ে দোলা লাগে, আবার যখন একান্ত একলা থাকি তখন প্রার্থনা করি যেনো এই ভালো লাগা, এই অনুভূতি, এই ঘোর কখনও কেটে না যায়। বিয়ের পর যতো ঝগড়াই হোক, যতো মনোমালিন্যই হোক না কেনো দিন শেষে যেনো আমরা একে অপরের বুকে শান্তি খুঁজে পাই।</p>
<p><strong>ভবিষ্যতের স্বপ্ন</strong></p>
<p>আমরা বলি ভবিষ্যত সর্বদাই অনিশ্চিত, কিন্তু মজার বিষয় ভবিষ্যত সর্বদাই অনিশ্চিত জেনেও আমরা স্বপ্ন দেখা বন্ধ করি না। আর সব প্রেমিক/প্রেমিকার মতোই আমরা স্বপ্ন দেখি বিয়ে করার, ঘর সংসার করার, ঝগড়া করার, একে অন্যের রাগ ভাঙ্গানোর, অফিস শেষে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে প্রিয় মানুষকে আলিঙ্গন করার। আমরা আরও স্বপ্ন দেখি সুন্দর ফুটফুটে ছেলেমেয়ের। সেই সুন্দর স্বপ্নে আমাদের ছেলে মেয়ের নাম ঠিক করা হয়, তাদের কোথায় পড়াবো তা নিয়ে ঝগড়া হয়, দোষ করলে কে কিভাবে বকা দিবে, সান্তনা দিবে তা নিয়ে তর্ক হয়।</p>
<p>কিন্তু এসব স্বপ্ন দেখার সময়ও আমি মাটিতে পা রাখি। সবার আগে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে আমি তার বাবা মায়ের সামনে যোগ্য পাত্র হিসেবে মেয়ের হাত চেতে পারি। যাতে আমি তাকে নিরাপত্তা দিতে পারি, আশ্রয় দিতে পারি।</p>
<p>জানি না কতোটা সফল হবো তারপরও আশা করতে দোষ নেই স্বপ্ন দেখতে বাধা নেই। স্বপ্ন দেখি রঙীন দিনের, আশা করি সুন্দর ভবিষ্যতের।</p>
<p></font></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://ashabadi.com/2010/07/31/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>16</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

