Tag Archives: নিজের মনে কথা

আমার লাটাইছেঁড়া ইচ্ছেঘুড়ি

মানুষের নানা রকম ইচ্ছে থাকে, স্বপ্ন থাকে। ছোটবেলায় মানুষের একরকম ইচ্ছে থাকে, বড় হতে হতে সেই ইচ্ছে বিভিন্ন দিকে মোড় নেয়, তা কখনও ছোট খেলনা থেকে শুরু করে স্বপ্নের গ্যাজেট বা স্বপ্নের পেশা নানা দিকে ঘুরপাক খায়।

ছোটবেলায় কোন খেলনার জন্য বায়না বা আবদার খুব বেশি করেছি এমন মনে পড়ে না। অনেকেই এখন মনে করে যে আমরা অনেক বৈভব/প্রাচুর্য্যের মধ্যে বড় হয়েছি কিন্তু সত্যি হলো যে আমরা কোনকিছুর আবদার করে সহজে পেতাম না।

Read more »

ভালোবাসার কিছু কথা

পরিচয় ও সম্পর্কের অগ্রসর

তাকে আমি প্রথম দেখেছিলাম কলেজে থাকতে। না কোন নাটকীয়তা নেই, নেই কোন ঝনঝনানি। খুবই স্বাভাবিকভাবে পরিচয়। এমন কতোজনের সাথেই তো পরিচয় হয়, এরপরও কিছু কিছু পরিচয় জীবনটাকে বদলে দিতে পারে। তার সাথে পরিচয় এমনই….
Read more »

উবুন্টু বাংলাদেশ ও আমি- একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা

আমার এই গল্পের শুরু আজ থেকে তিন বছর আগে ২০০৮ সালের নভেম্বরে।

খুব বেশিদিন হয়নি আমি লিনাক্সের ভুবনে পদার্পন করেছি, সেটাও আরও অনেকের মতো উবুন্টু লিনাক্স দিয়ে। আমি যখন লিনাক্সের ভুবনে আসি লিনাক্স ওপেনসোর্স নিয়ে ভাসা ভাসা ধারণা নিয়ে, প্রবল আগ্রহ থেকেই আমার পথ চলা। তখনও ওপেনসোর্স বা লিনাক্স নিয়ে এতো মাতামাতি শুরু হয়নি, ওপেনসোর্স বা লিনাক্সের উপর বাংলা লেখাও অপ্রতুল। লিনাক্স নিয়ে গুতাই, প্রতিদিন এর শক্তি/ফিচার/সৌন্দর্য নিয়ে আপন মনে পুলকিত হই। আমার চাহিদা খুবই সাধারণ থাকায় খুব বেশি সমস্যায় পরিনি, আবার যেসব সাধারণ সমস্যায় পরেছিলাম তার সমাধান করে নিয়েছি বিভিন্ন বিদেশী সাইট/ফোরামের সহায়তায়। এরপর কিছুদিন উবুন্টু বাংলা অনুবাদও করলাম।

এভাবেই ঘুরতে ঘুরতে একদিন উবুন্টু উইকি-তে লোকো টিম সম্পর্কে জানতে পারি। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লোকো টিমের মাধ্যমে একটি বড় উবুন্টু সম্প্রদায় দাঁড়িয়ে আছে দেখে পুলকিত হই। সেখানেই একটু খুঁজতে পেয়ে যাই উবুন্টু বাংলাদেশ টিম প্রোফাইল। বাংলাদেশে আরও উবুন্টু ব্যবহারকারীদের সাথে পরিচিত হবো এই আশায় উবুন্টু বাংলাদেশ ওয়েবপোর্টালে যাই। সেখানে পুরাতন কিছু খবর ও সহায়িকা দেখি। মনে হয় আর সবক্ষেত্রের মতো এই ওয়েবপোর্টালও অবহেলিত।

মনে হলো যদি তাদের কোনভাবে সহযোগীতা করা যায়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। তাদের যোগাযোগ পাতায় জানিয়ে দিলাম তাদের পোর্টাল আপডেট ও নতুন সহায়িকা লেখার কাজে সহযোগীতা করতে ইচ্ছুক।

কিছুদিন পরই একজন ইমেইল করলেন আমার আগ্রহকে উৎসাহ দিয়ে জানতে চাইলেন কিভাবে আমি সাহায্য করতে চাই। এই একজন আর কেউ নন উবুন্টু বাংলাদেশ টিমের লিডার রাসেল জন। আমি আবারও তাকে জানালাম নতুন খবর আপডেট ও কিছু লেখা দিতে আগ্রহী আছি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি অনুবাদে আগ্রহী কিনা, এবং এরপর আমাকে পরখ করার জন্য তিনটি আর্টিকেল পাঠায় অনুবাদ করতে। আর্টিকেল দেখে কিছুটা হতাশ হই, কারণ সেগুলোর প্রত্যেকটিই তিন মাসের বেশি পুরাতন। যাই হোক যথাসময়ে অনুবাদ করে দিলাম তাকে। তখন তিনি আমাকে বললেন তিনি আমাকে উবুন্টু বাংলাদেশ সাইটে এক্সেস দিচ্ছেন আমি যেনো নিজেই পোস্টগুলো দিয়ে দেই। যদিও আমি কখনও জুমলায় কাজ করিনি, একটু ঘেটে দেখে নিলাম কোথায় কি আছে এরপর পোস্ট দিলাম। সেই থেকে শুরু এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লেখা ও খবর সাইটে দিয়েছি। Read more »

ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো

অভিধানের ভাষায় “চিঠির” সংজ্ঞা, “কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে প্রেরিত লিখিত বার্তা” হলেও আমার কাছে চিঠির মানে ভিন্ন। সামনে বসে যেসব কথা বলা যায় না সেই কথাগুলো নিজের মনের ডালপালা মেলে দিয়ে রঙীন সাজে সাজিয়ে মনের ভাব অন্যকে জানানো হয় চিঠিতে। কখনও কখনও আবার চিঠির মাধ্যমে অভিযোগ অনুযোগ মান অভিমানও প্রকাশ করা যায়। আধুনিক প্রযুক্তির ভিড়ে চিঠি লেখা যেনো হারিয়েই যাচ্ছে সবাই মোবাইল টেক্সট ম্যাসেজ, ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার, ইমেইল ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত তাদের বার্তা প্রাপকের কাছে পাঠিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চান। কিন্তু তারপরও হাতে গোনা কয়েকজন মানুষ রয়ে গেছেন যারা এখনও হাতে চিঠি লিখতে অসম্ভব ভালোবাসেন। আমি তাদের মধ্যে একজন। নিয়মিত চিঠি লিখতে না পারলেও মাসে একবার চিঠি লেখা তো হয়ই।

ছোটবেলায় যখন বাংলা দ্বিতীয় পত্রের জন্য “বাবার কাছ থেকে টাকা চেয়ে চিঠি” অথবা “বিদেশে অবস্থানরত পত্রমিতালীকে চিঠি” লিখতে হতো তখন চোখে অন্ধকার দেখতাম সাথে চিঠি লেখার উপর বড়ই বিরক্তির উদ্রেক হতো। কিন্তু আমি বরাবরই একটু ভাবুক প্রকৃতির তাই মনে মনে আকাশ কুসুম অনেক কিছু ভাবতে ভালো লাগতো, দেখা যেতো এরকম আকাশ কুসুম ভাবতে ভাবতেই চিঠি লিখে ফেলেছি কাউকে। মনে মনে চিঠি লেখাটা হতো বেশি যখন বাবা মা অথবা বোনদের কারো উপর প্রচন্ড রাগ উঠলে রাগারাগি কান্নাকাটির পর।
Read more »

বটগাছের কাছে আমার উচ্ছ্বাস


প্রিয় বটগাছ, অনেকদিন তোমার ছায়ায় এসে দুদন্ড বসিনি, তোমায় আমার মনের কথা বলিনি। তুমি কি রাগ করেছো? অভিমান? ইশশ তুমি এতো বিশাল এতো বড়, তুমি রাগ অভিমান করে থাকতে পারো? মোটেও না।

শেষবার যখন তোমার কাছে এসে বসে কথা বলেছিলাম অনেক একান্ত কথা বলেছিলাম কিছু না বলা রয়ে গেছে। মানুষের জীবন কতো বৈচিত্রময়। গতবার বেশ হতাশভাবে কথা শেষ করলাম আর যখন আজ আবার কথা বলছি আমার জীবনে কতো কিছু ঘটে গেছে নতুন, আজ আমি আর হতাশার দোলাচালে দুলতে দুলতে ভেসে যাচ্ছি না।
Read more »

বটগাছের সাথে এক আশাবাদীর(!!) কিছু কথা

    বটগাছের সাথে পরিচয়

বটগাছ তুমি কেমন আছ? মনে হয় তুমি আমাকে এখানে এসে কথা বলতে দেখে বিরক্ত হচ্ছ.. হঠাৎ করে তোমার কাছে এসে জিজ্ঞাস করছি কেমন আছ!!
অনেকদিন ধরে তোমাকে এখানে মূর্তির মতো দাড়িয়ে থাকতে দেখেছি…তুমিও নিশ্চয় আমাকে তোমার নিচ দিয়ে অনেকবার যেতে দেখেছো তাই ধরে নিচ্ছি তুমি আমাকে চিনো।

আমি অনেককে তোমার সাথে কথা বলতে দেখেছি আর ভাবেছি তারা কত অবুঝ!! একটি বটগাছের সাথে কথা বলছে…কিন্তু আজ আমি বন্ধুহীন অবস্থায়। আমার কথা শুনার আর কেউ নেই তাই আমি তোমার কাছে এসেছি… তুমি শুনবে তো???

আমি জানিনা তোমার বয়স কত, কতদিন থেকে তুমি এখানে দাড়িয়ে আছ.. আমি এখানে আসার পর থেকেই তোমাকে দেখেছি… ধরে নিচ্ছি তুমি এই জায়গার মতনই প্রাচীন… অনেককে আসতে দেখেছ অনেককেই চলে যেতে দেখেছ… অনেকের অনেক মনের কথাও তোমার জানা.. কিন্তু তুমি কি কখনও আমার মত কাউকে দেখেছ যে কাঁদতে ভুলে গেছে? প্রতিদিন আমি চিৎকার করে কাঁদতে চাই কিন্তু পারিনা…আমার মন কেঁদে চলে কিন্তু শান্তি পাইনা।
Read more »

বকবকানির শুরু

বিভিন্ন সময়ে মানুষের বিভিন্ন শখ ওঠে। আমার ছোটবেলা থেকেই শখ ছিলো ডায়রী লিখবো, এবং অনেকদিন পর সেই ডায়রীর লেখা পরে স্মৃতি রোমন্থন করবো। ডায়রী লেখা বেশ কয়েকবার শুরু করলেও আলসে হওয়ায় বেশিদিন চালানো হয়নি, কেবল আলসেমীই নয় অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও ভুলে গিয়েছি ডায়রীতে নতুন ঘটনা লেখার বিষয়। হঠাৎ করে এতোদিন পর আবারও সেই শখ মাথা চারা দিয়ে উঠলো। তবে এবার আর কাগজে কলম বুলিয়ে নয় কীবোর্ডে হাত চালিয়ে লেখার খায়েশ হলো। তাই খুলে ফেললাম শেষ পর্যন্ত “আশাবাদীর দিনপঞ্জিকা”

“আশাবাদীর দিনপঞ্জিকা” নামটি নেয়ার পিছনে কারণ হচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে ব্যবহার করে আসা আমার ছদ্মনামটি, জ্বি আশাবাদী বাংলা অনলাইন জগতে আমি ব্যবহার করছি বেশ কিছুদিন ধরে। আশাবাদী ছদ্মনামটি নেয়ার সময় তেমন কিছু চিন্তাভাবনা করা হয়নি। Read more »