নকলের হাত থেকে সাবধান, এবার তা বলতে হলো উবুন্টু বাংলাদেশের জন্য

আজকে দুপুরে উবুন্টু বাংলাদেশ মেইলিং লিস্টে একটি গুরুতর বিষয় সবার গোচরে আনা হয়েছে। তা হচ্ছে চিটাগং-এ “Ubuntu Bangladesh Ltd.” নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কেবল সন্দেহজনকই নয় বরং বেআইনীও বটে। উবুন্টুর অফিসিয়াল স্পন্সর Canonical Ltd., এবং বাংলাদেশে তাদের অনুমোদিত একমাত্র লোকো টিম হচ্ছে “Ubuntu Bangladesh”, এর বাইরে আর কোন টিম অফিসিয়ালি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে না। “Ubuntu” ক্যানোনিক্যাল লিমিটেড-এর রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক এবং লিখিত অনুমতি ছাড়া কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা অন্য কোন গ্রুপ তাদের সেবার মাঝে Ubuntu শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না। এছাড়া যতদূর ধারণা আছে Bangladesh Company Act 1994 অনুযায়ী Ltd. কেবল রেজিস্টার্ড সীমিতদায় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা যায়, অননুমোদিত ব্যবহার দন্ডনীয় অপরাধ।

একই সাথে উক্ত “উবুন্টু বাংলাদেশ লিমিটেড”-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা বিভিন্ন এলাকার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাত করেছে “Ubuntu Rural ICT Center” প্রতিষ্ঠার নাম করে। ক্যানোনিক্যালের এমন কোন উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের আর কোথাও নেই।

তাদের এই কার্যক্রম ক্যানোনিক্যালের লিগ্যাল টিমের গোচরে আনা হয়েছে, একই সাথে ফেসবুকে অবস্থিত তাদের প্রোমোশন্যাল পেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদের কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকার জন্য বলা হলো একই সাথে সকলকে অনুরোধ করছি তাদের এই বেআইনী কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করুন, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহযোগীতা করুন।

একই সাথে এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, কেউ যদি উবুন্টুর জন্য কাজ করতে চান তবে তাদেরকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু অনুগ্রহ করে কোন উদ্যোগ নেয়ার আগে উবুন্টু বাংলাদেশ টিমের গোচরে আনবেন এবং তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিয়ে নিবেন। অতিউৎসাহী হয়ে বেআইনী কোনকিছুর সাথে জড়িয়ে পড়বেন না।

উবুন্টু বাংলাদেশ ও আমি- একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা

আমার এই গল্পের শুরু আজ থেকে তিন বছর আগে ২০০৮ সালের নভেম্বরে।

খুব বেশিদিন হয়নি আমি লিনাক্সের ভুবনে পদার্পন করেছি, সেটাও আরও অনেকের মতো উবুন্টু লিনাক্স দিয়ে। আমি যখন লিনাক্সের ভুবনে আসি লিনাক্স ওপেনসোর্স নিয়ে ভাসা ভাসা ধারণা নিয়ে, প্রবল আগ্রহ থেকেই আমার পথ চলা। তখনও ওপেনসোর্স বা লিনাক্স নিয়ে এতো মাতামাতি শুরু হয়নি, ওপেনসোর্স বা লিনাক্সের উপর বাংলা লেখাও অপ্রতুল। লিনাক্স নিয়ে গুতাই, প্রতিদিন এর শক্তি/ফিচার/সৌন্দর্য নিয়ে আপন মনে পুলকিত হই। আমার চাহিদা খুবই সাধারণ থাকায় খুব বেশি সমস্যায় পরিনি, আবার যেসব সাধারণ সমস্যায় পরেছিলাম তার সমাধান করে নিয়েছি বিভিন্ন বিদেশী সাইট/ফোরামের সহায়তায়। এরপর কিছুদিন উবুন্টু বাংলা অনুবাদও করলাম।

এভাবেই ঘুরতে ঘুরতে একদিন উবুন্টু উইকি-তে লোকো টিম সম্পর্কে জানতে পারি। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লোকো টিমের মাধ্যমে একটি বড় উবুন্টু সম্প্রদায় দাঁড়িয়ে আছে দেখে পুলকিত হই। সেখানেই একটু খুঁজতে পেয়ে যাই উবুন্টু বাংলাদেশ টিম প্রোফাইল। বাংলাদেশে আরও উবুন্টু ব্যবহারকারীদের সাথে পরিচিত হবো এই আশায় উবুন্টু বাংলাদেশ ওয়েবপোর্টালে যাই। সেখানে পুরাতন কিছু খবর ও সহায়িকা দেখি। মনে হয় আর সবক্ষেত্রের মতো এই ওয়েবপোর্টালও অবহেলিত।

মনে হলো যদি তাদের কোনভাবে সহযোগীতা করা যায়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। তাদের যোগাযোগ পাতায় জানিয়ে দিলাম তাদের পোর্টাল আপডেট ও নতুন সহায়িকা লেখার কাজে সহযোগীতা করতে ইচ্ছুক।

কিছুদিন পরই একজন ইমেইল করলেন আমার আগ্রহকে উৎসাহ দিয়ে জানতে চাইলেন কিভাবে আমি সাহায্য করতে চাই। এই একজন আর কেউ নন উবুন্টু বাংলাদেশ টিমের লিডার রাসেল জন। আমি আবারও তাকে জানালাম নতুন খবর আপডেট ও কিছু লেখা দিতে আগ্রহী আছি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি অনুবাদে আগ্রহী কিনা, এবং এরপর আমাকে পরখ করার জন্য তিনটি আর্টিকেল পাঠায় অনুবাদ করতে। আর্টিকেল দেখে কিছুটা হতাশ হই, কারণ সেগুলোর প্রত্যেকটিই তিন মাসের বেশি পুরাতন। যাই হোক যথাসময়ে অনুবাদ করে দিলাম তাকে। তখন তিনি আমাকে বললেন তিনি আমাকে উবুন্টু বাংলাদেশ সাইটে এক্সেস দিচ্ছেন আমি যেনো নিজেই পোস্টগুলো দিয়ে দেই। যদিও আমি কখনও জুমলায় কাজ করিনি, একটু ঘেটে দেখে নিলাম কোথায় কি আছে এরপর পোস্ট দিলাম। সেই থেকে শুরু এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লেখা ও খবর সাইটে দিয়েছি। Read more »

ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো

অভিধানের ভাষায় “চিঠির” সংজ্ঞা, “কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে প্রেরিত লিখিত বার্তা” হলেও আমার কাছে চিঠির মানে ভিন্ন। সামনে বসে যেসব কথা বলা যায় না সেই কথাগুলো নিজের মনের ডালপালা মেলে দিয়ে রঙীন সাজে সাজিয়ে মনের ভাব অন্যকে জানানো হয় চিঠিতে। কখনও কখনও আবার চিঠির মাধ্যমে অভিযোগ অনুযোগ মান অভিমানও প্রকাশ করা যায়। আধুনিক প্রযুক্তির ভিড়ে চিঠি লেখা যেনো হারিয়েই যাচ্ছে সবাই মোবাইল টেক্সট ম্যাসেজ, ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার, ইমেইল ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত তাদের বার্তা প্রাপকের কাছে পাঠিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চান। কিন্তু তারপরও হাতে গোনা কয়েকজন মানুষ রয়ে গেছেন যারা এখনও হাতে চিঠি লিখতে অসম্ভব ভালোবাসেন। আমি তাদের মধ্যে একজন। নিয়মিত চিঠি লিখতে না পারলেও মাসে একবার চিঠি লেখা তো হয়ই।

ছোটবেলায় যখন বাংলা দ্বিতীয় পত্রের জন্য “বাবার কাছ থেকে টাকা চেয়ে চিঠি” অথবা “বিদেশে অবস্থানরত পত্রমিতালীকে চিঠি” লিখতে হতো তখন চোখে অন্ধকার দেখতাম সাথে চিঠি লেখার উপর বড়ই বিরক্তির উদ্রেক হতো। কিন্তু আমি বরাবরই একটু ভাবুক প্রকৃতির তাই মনে মনে আকাশ কুসুম অনেক কিছু ভাবতে ভালো লাগতো, দেখা যেতো এরকম আকাশ কুসুম ভাবতে ভাবতেই চিঠি লিখে ফেলেছি কাউকে। মনে মনে চিঠি লেখাটা হতো বেশি যখন বাবা মা অথবা বোনদের কারো উপর প্রচন্ড রাগ উঠলে রাগারাগি কান্নাকাটির পর।
Read more »

সংগ্রহ করুন উবুন্টু লিনাক্স টিশার্ট

ওপেনসোর্স/লিনাক্স প্রেমিকদের একটা বড় অংশ বেশ কিছুদিন ধরেই আগ্রহ জানাচ্ছিলো লিনাক্স/ওপেনসোর্স ভিত্তিক মার্কেন্ডাইজের জন্য। অনেকেই জানতে চাইছিলো স্টিকার/পোস্টার/মগ/টিশার্ট ডিস্ট্রিবিউট করা সম্ভব কিনা কমিউনিটির পক্ষ থেকে। উবুন্টু বাংলাদেশও তাদের পরিচালনার খরচ ওঠানোর জন্য অনুদানের উপর নির্ভর না করে নিজেদের কিছু পণ্য বিক্রি করে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের কথা ভাবছিলো। কিন্তু নানা কারনে এই উদ্যোগ বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিলো। অবশেষে কিছু কাজ এগোনো সম্ভব হয়েছে, জনপ্রিয় উবুন্টু লিনাক্সের টিশার্ট প্রথম প্রচারের ব্যবস্থা করেছে উবুন্টু বাংলাদেশ টিম, সহায়তায় রয়েছে বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স ও আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম।
Read more »

বটগাছের কাছে আমার উচ্ছ্বাস


প্রিয় বটগাছ, অনেকদিন তোমার ছায়ায় এসে দুদন্ড বসিনি, তোমায় আমার মনের কথা বলিনি। তুমি কি রাগ করেছো? অভিমান? ইশশ তুমি এতো বিশাল এতো বড়, তুমি রাগ অভিমান করে থাকতে পারো? মোটেও না।

শেষবার যখন তোমার কাছে এসে বসে কথা বলেছিলাম অনেক একান্ত কথা বলেছিলাম কিছু না বলা রয়ে গেছে। মানুষের জীবন কতো বৈচিত্রময়। গতবার বেশ হতাশভাবে কথা শেষ করলাম আর যখন আজ আবার কথা বলছি আমার জীবনে কতো কিছু ঘটে গেছে নতুন, আজ আমি আর হতাশার দোলাচালে দুলতে দুলতে ভেসে যাচ্ছি না।
Read more »

বটগাছের সাথে এক আশাবাদীর(!!) কিছু কথা

    বটগাছের সাথে পরিচয়

বটগাছ তুমি কেমন আছ? মনে হয় তুমি আমাকে এখানে এসে কথা বলতে দেখে বিরক্ত হচ্ছ.. হঠাৎ করে তোমার কাছে এসে জিজ্ঞাস করছি কেমন আছ!!
অনেকদিন ধরে তোমাকে এখানে মূর্তির মতো দাড়িয়ে থাকতে দেখেছি…তুমিও নিশ্চয় আমাকে তোমার নিচ দিয়ে অনেকবার যেতে দেখেছো তাই ধরে নিচ্ছি তুমি আমাকে চিনো।

আমি অনেককে তোমার সাথে কথা বলতে দেখেছি আর ভাবেছি তারা কত অবুঝ!! একটি বটগাছের সাথে কথা বলছে…কিন্তু আজ আমি বন্ধুহীন অবস্থায়। আমার কথা শুনার আর কেউ নেই তাই আমি তোমার কাছে এসেছি… তুমি শুনবে তো???

আমি জানিনা তোমার বয়স কত, কতদিন থেকে তুমি এখানে দাড়িয়ে আছ.. আমি এখানে আসার পর থেকেই তোমাকে দেখেছি… ধরে নিচ্ছি তুমি এই জায়গার মতনই প্রাচীন… অনেককে আসতে দেখেছ অনেককেই চলে যেতে দেখেছ… অনেকের অনেক মনের কথাও তোমার জানা.. কিন্তু তুমি কি কখনও আমার মত কাউকে দেখেছ যে কাঁদতে ভুলে গেছে? প্রতিদিন আমি চিৎকার করে কাঁদতে চাই কিন্তু পারিনা…আমার মন কেঁদে চলে কিন্তু শান্তি পাইনা।
Read more »

AIUB VUES System

লেখার শিরোনামটা ইংরেজীতে দিতে হলো বলে মনে খঁচখঁচ করছে। কিন্তু বাংলা অক্ষরে ইংরেজী শিরোনাম দিয়ে কোন লাভ নেই তাই ইংরেজীই থাকুক। যাই হোক আসল কথায় তাড়াতাড়ি আসি। আমি প্রায় চার বছর ধরে American International University Bangladesh (AIUB)-এ বিবিএ (মার্কেটিং ও এমআইএস) পড়ছি। এই সেমিস্টারই (Fall 2009-10) বলতে গেলে আমার শেষ সেমিস্টার হবে এআইইউবি-তে (যদি না আবার এমবিএ এআইইউবি-তে পড়ি)।

এআইইউবি বাংলাদেশের প্রথম সারির প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোর মধ্যে একটি, যদিও ছাত্র/ছাত্রীরা আগে নর্থসাউথ, ইস্টওয়েস্টকে প্রাধান্য দেয়। আমি একটা কথা বলতে পারি এআইইউবি-তে পড়ে আমি আর যাই হোক অসন্তুষ্ট নই। তাদের পড়ালেখার মান বেশ ভালো (অন্তত আমি যখন ঢুকেছিলাম তখন অনেক ভালো ছিলো, এখন সব ভালো শিক্ষক/শিক্ষিকারা উন্নত শিক্ষার জন্য আবার দেশের বাইরে দলে দলে গেছেন তাই সব জুনিয়র শিক্ষক/শিক্ষিকারা পড়াচ্ছেন)।
Read more »

নতুন ইন্টারনেট সংযোগ নেয়ার পিছনের কাহিনী


কিছুদিন ধরে অজ্ঞান/ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম। আক্ষরিক অর্থে না হলেও অনলাইন ভুবনে পুরো ১ সপ্তাহের মতো অনুপস্থিত ছিলাম। অনেকদিন ধরে আমার খুবই বাজে ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে কান্নাকাটি করে আসছিলাম (আক্ষরিক অর্থেই), ধীর গতির ইন্টারনেট সংযোগ, ঘন ঘন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া, বৃহঃস্পতিবার/শুক্রবার অবধারিতভাবে সংযোগ কেঁটে যাওয়া, সমস্যা সম্পর্কে অভিযোগ করে সমাধান না পাওয়া, ধীর টেক সাপোর্টসহ নানা সমস্যা সবসময়ই বিরক্ত করতো। আমার কান্নাকাটি/অভিযোগের ফিরিস্তি দেখে অনেকেই জিজ্ঞাসা করতো এতো অভিযোগ না করে বরং আইএসপি পরিবর্তন করলেই পারো সেটা করো না কেনো। বিষয়টা যতো সহজ মনে হয় ঠিক ততো সহজ নয়।

ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অধীনে হওয়ায় বারিধারা ডিওএইচএস-এ কিছু বিরক্তিকর নিয়ম আছে, যার একটি হলো এই আবাসিক এলাকায় নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি (শুনতে ন্যায্য বা খারাপ না মনে হলেও বাস্তব প্রয়োগ খুবই বিরক্তিকর), এই নিয়ম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের ক্ষেত্রেও একই, অনেক ভালো সার্ভিস প্রোভাইডাররা যারা অন্যখানে ভালো সেবা দিচ্ছে তারা ডিওএইচএস এলাকার ভিতরে ব্যবসা করতে পারে না। অন্যদিকে আর যেসব আইএসপি সেবা দিচ্ছে সেগুলোর সেবার মান যাচ্ছে তাই অথবা সেবার মাসিক সার্ভিস চার্জ অনেক বেশি (২০০০+)।
Read more »

আমার কুবুন্টু এ্যাডভোকেট কার্ড


ফেসবুকে আসিফ হাসান গতকাল রাত্রে তার জিএনইউ/লিনাক্স আইডি কার্ড তৈরি করে দেখাচ্ছিলো, যেটা আমাকে বেশ আকৃষ্ট করে। মূল কার্ডের কাজ করেছিলো fs-webdesign.com/blog/। কিন্তু ওই ব্লগে প্রকাশিত ডিজাইনগুলো ভার্শন ইন্ডিপেন্ডেন্ট না হওয়ায় (ডিজাইনগুলো হার্ডি হ্যারণ ভার্শনের উপর ভিত্তি করে করা) আমি ওগুলো ব্যবহার করতে চাইনি। তাই নিজের জন্যই একটা বানিয়ে ফেললাম।


myKubuntuCard


(এটা কেবল প্রথম ড্রাফট কাজ, হয়তো পরে আরও পরিবর্তন আনা হবে।)


আমি ভালো ডিজাইনার না গিম্প নিয়ে তেমন আমার ধারণাও নেই। যেকোন ধরণের পরামর্শ অবশ্যই স্বাগত জানাই।

(নোট: কারও যদি সোর্স ফাইলের প্রয়োজন হয় জানাবেন, আপলোড করার চেষ্টা করবো।)

কুবুন্টু লিনাক্স

    লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম

লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম শুনলেই অধিকাংশ মানুষকে প্রথমেই বেঁকে বসতে দেখি, অধিকাংশ মানুষেরই মতামত লিনাক্স একটি কঠিন অপারেটিং সিস্টেম। কিন্তু সত্যি বলতে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম এমন কোন কঠিন জিনিস নয়, বরং গত কয়েক বছর ধরে যে সকল বহুল প্রচলিত লিনাক্স ডিস্ট্রোবিউশন বের হচ্ছে সেগুলো অনেকটাই ব্যবহার বান্ধব হয়ে গেছে। এসব অপারেটিং সিস্টেম যে কোন কমার্শিয়াল অপারেটিং সিস্টেমের সাথে পাল্লা দিয়ে চলতে সক্ষম।
Read more »